Tuesday, March 26, 2019

কীভাবে বুঝবেন আপনার ফোনে কেউ আড়ি পাতছে?

অসংখ্য মানুষের ফোন আজকাল নানা ভাবে, নানা কারণে ট্যাপ করা হচ্ছে। স্মার্টফোনের যুগে ফোন ট্যাপ করাটা আরও সহজ! কারণ, এর জন্য আপনার মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক হ্যাক করার প্রয়োজন হবে না। হ্যাকাররা শুধুমাত্র আপনার ফোনের ভালনেরাবিলিটি বা দুর্বলতা খুঁজে বের করে সহজেই আপনার ফোনকে ‘ট্যাপিং ডিভাইজ’-এ পরিণত করে ফেলতে পারে। কিন্তু কী করে বুঝবেন আপনার ফোনে কেউ আড়ি পাতছে কী না? আসুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু সংকেত, যেগুলো সঠিক ভাবে লক্ষ্য করলে আপনি সহজেই বুঝে যাবেন আপনার ফোন কেউ ট্যাপ করেছে কিনা!

⇒*ফোন করার সময় বা ফোনে কথা বলার সময় অদ্ভুত সব ‘ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েজ’ বা শব্দ শুনতে পাওয়া যায়, তাহলে তা ফোন ট্যাপ করার কারণে হতে পারে। ফোনে কথা বলার সময় আপনি যদি অনর্গল বিপবিপ শব্দ শুনতে পান, তাহলে হতে পারে আপনার ফোন ট্যাপিং-এর শিকার হয়েছে।
* যদি দেখেন কল চলাকালীন দু’প্রান্তের নেটওয়ার্ক বার ফুল থাকা সত্ত্বেও বারবার ভয়েস ব্রেক হচ্ছে, তাহলে তা ফোন ট্যাপ করার জন্য হতে পারে।


⇒*যদি দেখেন হঠাৎ করে আপনার ফোনের ব্যাটারির চার্জ অস্বাভাবিক ভাবে কমে গিয়েছে, ফোন ট্যাপ হওয়ার কারণে এমনটা হতে পারে। আপনার ফোন কল কোনও অ্যাপের সাহায্যে তৃতীয় পক্ষের কাছে পাঠানোর সময় ফোনের ব্যাটারির চার্জ দ্বিগুণ ক্ষয় হয় আর এ জন্যই ফোন ট্যাপ করা হলে ফোনের ব্যাটারির চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যেতে পারে বা ফোনটি অস্বাভাবিক গরম হয়ে উঠতে পারে। তবে স্মার্টফোনে একসঙ্গে অনেকগুলি অ্যাপলিকেশন অন থাকলেও এমনটা হতে পারে।




⇒ *ফোনে কোনও রকম সন্দেহজনক পরিবর্তন লক্ষ্য করলে নিশ্চিত হতে আপনার ফোনটি শাট ডাউন করে দেখুন। যদি সম্পূর্ণ ফোন শাট ডাউন হওয়ার পরেও স্ক্রিনে আলো জ্বলে থাকে বা ফোন শাট ডাউন হতে অনেক বেশি সময় লাগে কিংবা শাট ডাউন ফেইল হয়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে অবশ্যই কোনও সমস্যা রয়েছে।

⇒ *যদি দেখেন আপনার ফোন কোনও কারণ ছাড়াই রিস্টার্ট হয়ে যাচ্ছে বা হঠাৎ হঠাৎ করে ফোনের আলো জ্বলে উঠছে, তাহলে বুঝতে হবে আপনার ফোনে নিশ্চয়ই কোনও রিমোট আক্সেস রয়েছে বা বাইরে থেকে কেউ আপনার ফোন নিয়ন্ত্রণ করছে! তবে এ সব ফোনের সফটওয়্যারের সমস্যার কারণেও হতে পারে।


⇒ *আপনি নিশ্চয় লক্ষ্য করে থাকবেন, কোনও কল করার সময় ফোনটি যদি কোনও স্পিকারের সামনে থাকে, সে ক্ষেত্রে স্পিকার থেকে অনর্গল বিপবিপ শব্দ শোনা যায়। এ ছাড়া কোনও কল চলাকালীন সামনে থাকা ল্যাপটপ বা টিভিতেও অনর্গল শব্দ শোনা যেতে পারে। যদি কখনো দেখেন, ফোন থেকে কোনও কল না করলেও আপনার ফোন স্পিকারের সামনে বা টিভির সামনে নিয়ে গেলে ওই একই রকম বিপবিপ শব্দ শোনা যাচ্ছে, তাহলে বুঝতে হবে অবশ্যই সমস্যা রয়েছে বা আপনার ফোন কেউ ট্যাপ করে রেখেছে।


⇒ *স্প্যাইং অ্যাপগুলো আপনার ফোনের সেলুলার ডাটা ব্যবহার করতে পারে। যদি আপনার ফোনে কোনও ডেটা প্ল্যান অ্যাকটিভ করা না থাকে, সে ক্ষেত্রে ফোনের বিল অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে ফোনের বিলের বিস্তারিত তথ্য হাতে পেলে যাচাই করে দেখলেই অসংগতি রয়েছে কিনা বুঝে নিতে পারবেন! তবে প্রিপেইড নম্বরের ক্ষেত্রে এই অসংগতি ধরার তেমন কোনও উপায় নেই। সূত্র: ডিএমপি নিউজ।


Sunday, March 24, 2019

পৃথিবীর সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর দেশ কোনটি?


২০১৯ সালের ব্লুমবার্গ হেলদিয়েস্ট কান্ট্রি ইনডেক্স অনুযায়ী, এই বছরে স্পেন সবচেয়ে ‘স্বাস্থ্যকর’ দেশের মর্যাদা পেয়েছে।

স্পেনে এমন কী আছে যা অন্য দেশে নেই? কেন এই দেশের মানুষই সবচেয়ে সুস্থ? মূলত বেশ কিছু পরিবেশগত ও অভ্যাসগত কারণ আছে। এর মাঝে আছে নাগরিকদের আয়ু, মাদক সেবন, রোগ, পানিদূষণ ইত্যাদি। স্পেন (এর পাশাপাশি ইতালি ও আইসল্যান্ড)-এর নাগরিকরা নিয়মিত খান মাছ।

এর পাশাপাশি তাদের ডায়েটে থাকে অলিভ অয়েল, বাদাম, সবজি ও খুবই কম পরিমাণে রেড মিট। এসব কারণে এ দেশে হৃদরোগ কম দেখা যায়। ক্যান্সারের ঝুঁকিটাও কম।

 
শুধু ডায়েট নয়, সে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ও পারিবারিকভাবে স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার অভ্যাসও ভালো। জাপানে বর্তমানে মানুষের গড় আয়ু সবচেয়ে বেশি। কিন্তু ২০৪০ সাল নাগাদ স্পেনের মানুষের গড় আয়ু সবচেয়ে বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সে সময় স্পেনের নাগরিকদের গড় আয়ু হবে ৮৬ বছর।

পৃথিবীর সবচেয়ে সুস্থ দেশগুলোর তালিকায় একটি বিষয় অবশ্য লক্ষণীয়, তা হলো ১৬৯টি দেশের মাঝে প্রথম দশের ছয়টিই ইউরোপের দেশ, যেখানে মেডিটেরানিয়ান ডায়েট (মাছ, অলিভ অয়েল, বাদাম ও সবজি) প্রচলিত। তাই সুস্থ থাকতে আপনিও এই ডায়েট অনুসরণ করতে পারেন।

সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট

বিডি প্রতিদিন/কালাম

Monday, March 11, 2019

শরীরের ভয়ানক যেসব রোগ প্রতিরোধ করে আদা

রান্নার স্বাদ বাড়াতে আদার ব্যবহারের কথা সকলের জানা। কিন্তু জানেন কি, আদা শরীরের নানা জটিল ও ভয়ানক রোগের মোকাবিলায় কেমন অব্যর্থ। আসুন জেনে নিই আদার গুণাগুণ:-

 

• পরিপাক নালির প্রদাহ কমাতে আদার জুড়ি মেলা ভার। পাচক রস নিঃসরণে সহায়তা করে আদা।

 

 

• অন্তঃসত্ত্বা নারীদের জন্য আদা খুবই উপকারী। গর্ভাবস্থায় বমির ভাব কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি মর্নিং সিকনেস প্রতিরোধও করে আদা।

 

 

• পেশির ব্যথায় আদা উপকারী। ২৫ শতাংশ পেশির ব্যথা কমাতে সক্ষম আদা।

 

• গবেষণায় জানা গেছে, আদা খুব তাড়াতাড়ি গাঁটের ব্যথা কমাতে এবং গাঁটের ক্ষয় রোধ করতে সাহায্য করে।   

 

• তিন দিন মাত্র তিন গ্রাম আদার গুঁড়ো খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা দ্রুত হ্রাস পায়। এতে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক কমে।

 

• ১২ সপ্তাহ ধরে দৈনিক ২ গ্রাম আদা খেলে খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১০ ভাগ কমে যায়।

 

• ক্যানসার প্রতিরোধেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিতে পারে আদা। আদার মধ্যে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধক উপাদান। কোলনের ক্যানসার কোষ ধ্বংস করে আদা।   

 

• আদার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও বায়ো-অ্যাকটিভ উপাদান মস্তিষ্কের কার্যক্রম সচল রাখে। এতে স্মৃতিশক্তি বাড়ে।

Sunday, March 10, 2019

পেটের চর্বি কমাবে এই পানীয়

যদি আপনি মনস্থির করেন ওজন কমাবেন, তবে চালিয়ে যান- উপায় অবশ্যই আছে। এ উদ্দেশ্যে বাজারে গেলেই পেয়ে যাবেন প্রয়োজনীয় খাবার ও পানীয়।

তবে মনে রাখবেন, আপনার পেটে চর্বি একদিনেই জমেনি। সুতরাং, তা দূর করতেও একটু সময় লাগবে।  

ওজন হ্রাসের জন্য প্রথমেই জানা দরকার খাবার তালিকায় প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারের গুরুত্ব সম্পর্কে। ওজন হ্রাসের জন্য প্রোটিন অপরিহার্য কারণ এটি আপনাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য অনাকাঙ্খিত ক্ষুধা থেকে দূরে রাখবে।

দিনে একবার প্রোটিন সমৃদ্ধ পানীয় পান করলে আপনার ওজন কমানোর গতি বাড়িয়ে তুলতে পারে। মাত্র তিনটি উপাদান ব্যবহার করে প্রস্তুত এই প্রোটিন সমৃদ্ধ পানীয়টি কেবল আপনার পেটকে দীর্ঘ সময়ের জন্য পূর্ণ রাখবে তা-ই নয়, এটি আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও বাড়িয়ে তুলবে।

পানীয়টি তৈরির জন্য প্রয়োজন তিনটি উপাদান: চিয়া বীজ, লেবু এবং মধু।

উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলো চিয়া বীজ। এটি হজম প্রক্রিয়াকে আরো সাবলিল করতে সহায়তা করে।

এটি বিপাক ক্রিয়া ও ওজন কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী। চিয়া বীজে থাকা মাকিল্যাগিনাস (গাম-এর মতো) ফাইবার আন্ত্রিক কার্যক্রম বৃদ্ধি করে এবং রক্তে চিনির স্থিতিশীলতা রক্ষায় সহায়তা করে। এটি অন্ত্রের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটায়।

যেভাবে তৈরি করবেন এ পানীয়
পানীয়টি তৈরির জন্য আপনার যা দরকার তা হলো আধা চা চামচ চিয়া বীজ, এক থেকে দেড় কাপ পানি, এক চা চামচ মধু এবং এক চা চামচ লেবু রস। প্রথমে বাটিতে পানি নিন। বাটির পানিতে চিয়া বীজ দিয়ে রেখে দিন ৩০-৪৫ মিনিট। চিয়া বীজ পানিতে এভাবে রাখার পর এটি জেলের মতো হয়ে যাবে। এবার এর মধ্যে মধু ও লেবুর রস একসঙ্গে মেশান। এতে আরেকটু পানি মিশিয়ে পরিবেশন করুন।

সূত্র : এনডিটিভি 

 

যেভাবে উচ্চ রক্তচাপ কমবে নিমিষেই, কমবে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও

গবেষণা বলছে, নিয়মিত ২০ মিনিটের ন্যাপ ভবিষ্যতে আপনার হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে।

গ্রিসের একটি হাসপাতালের গবেষণা অনুসারে হেড ডাউন করে অর্থাৎ মাথা ঠেকিয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে পারলে ব্লাড প্রেশার বা রক্তচাপ কমে। 
 
বয়স্ক মানুষদের কথা মাথায় রেখে এই গবেষণা চালানো হয়েছে, কিন্তু দিনের কোনো একটি সময় চোখ বন্ধ করে ঝটিকা একটু ঘুমিয়ে নিতে পারলে উপকার পাবে যেকোনো বয়সী মানুষ।

এই গবেষণায় কার্যক্রমটি পরিচালনাকারী কার্ডিওলজিস্ট মানোলিস কালিস্ট্রাটোস বলেন, "দিনের বেলার অল্প সময়ের ঘুম সহজেই নিয়ে নেয়া যায় এবং সাধারণত সেজন্য কিছু খরচ করতে হয় না"।

"আমাদের গবেষণার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে বলতে পারি, যদি কেউ দিনের বেলা ঘুমানোর বিলাসিতাটুকু নিয়মিতভাবে চালিয়ে যেতে পারে তবে এটি উচ্চ রক্তচাপের জন্য উপকার করবে। "

তার এই গবেষণায় দেখা গেছে যে, দিনের বেলা ২০ মিনিটের ঘুম গড়ে যে পরিমাণ রক্তচাপ কমিয়ে দিতে পারে তা ঠিক যেভাবে স্বল্প মাত্রার ওষুধ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে থাকে।

সুতরাং আমোদের সবারই সম্ভবত দিনের বেলা কোনো একসময় ভালোমতো একটু ঘুমিয়ে নেয়ার চেষ্টা করতে হবে।

ভালো পেতে প্রচেষ্টা করা উচিত।

কিন্তু কখন ঘুমাতে হবে?

দুপুরের পরপর যে একটা ঝিমুনি ভাব হয়, সেটি শুধু মধ্যাহ্নভোজনে উদরপূর্তি খাবারের জন্য তা নয়, এই অবস্থার নাম 'আফটারনুন লুল' যা আমাদের ডিএনএতে প্রবাহিত।

দ্য স্লিপ স্কুলে ক্লিনিকাল ডিরেক্টর ডক্টর গাই মিডোস বলেন "এটি আসলে ঘটে কারণ, শরীরের যেখান থেকে সতর্ক সংকেত আসে সেখানে ছোট্ট একটা ডুব দিতে পারছেন, অভ্যন্তরীণ দেহ-ঘড়ি যা ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে এবং জাগিয়ে তোলে সেখান থেকে আপনি 'সতর্কতা সংকেত' পান"।

তিনি বলেন, মানুষ হাজার হাজার বছর আগে মধ্য-দুপুরে বিশ্রাম নিত এবং সেই আচরণ আমাদের সারকাডিয়ান রিদম বা ছন্দে ফুটে ওঠে।

সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রতিনিয়ত যেভাবে কাজ করে চলেছে মানুষের শরীর, শরীরের সেই নিয়মমাফিক চলাকেই সারকাডিয়ান রিদম বা স্পন্দন বলে যা মানবদেহের সুস্থতার চাবিকাঠি।

তিনি বলেন, "আপনার সারকাডিয়ান রিদম হচ্ছে আপনার ২৪ ঘণ্টার দেহ-ঘড়ি"।

"যখন আপনি কাজে থাকুন বা স্কুলে থাকুন সবসময়ই আপনার সুইচ চালু থাকে। কিন্তু যখনই আপনি ন্যাপ নিচ্ছেন তখন আপনি অন্যদিকে সুইচ চালু করলেন এবং সেটা বিশ্রাম ও পরিপাক মুডে চলে এলো।

মিটার মিডোস বলেন, "যদি আপনি বাড়ির ভেতর সারাদিন থাকেন তবে ঘুমিয়ে নেয়ার জন্য দারুণ ব্যাপার। কিন্তু যদি আপনি থাকেন সহকর্মীদের ভিড়ের মধ্যে তাহলে? নিশ্চিতভাবেই তখন বিষয়টি খুব সহজ নয়। কিন্তু এরই মাঝে একটু নিরিবিলি জায়গা খুঁজে বিশ্রাম নিতে পারলে সেটা যতটা শারীরিক সুফল এনে দেবে তা আপনার কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি"।

"চোখ বন্ধ করে চুপচাপ বসে থাকা সত্যিই উপকারী হতে পারে" বলছেন ডঃ গাই ।

তার বক্তব্য যেকোনভাবেই হোক দিনের বেলার এই ঘুম জরুরি।

"হয়তো আপনি একটি ছোট কক্ষে গিয়ে সেখানে গিয়ে বিশ্রাম নিতে পারেন কিংবা পরিস্থিতি খুব খারাপ হলে অর্থাৎ সেরকম কোনো কক্ষ না পাওয়া গেলে আপনি বাথরুমেই চলে যেতে পারেন এবং সেখানে গিয়ে বসে থাকতে পারেন ১০ মিনিটের জন্য"।

গ্রীষ্মের সময় কাছাকাছি কোনো পার্কে গিয়ে চোখ বন্ধ করে থাকা যেতে পারে।

তবে হ্যাঁ একেবারে ঘুমিয়ে গেলে চলবে না। অবশ্যই অ্যালার্ম সেট করে রাখতে হবে যাতে করে আবার যথাসময়ে নিশ্চিন্তে কাজ-কর্মে ফেরা যায়।

ড: গাই বলেন, আমরা যখন হালকা ঘুমে থাকি তখন আমরা বুঝতে পারি না যে ঘুমিয়ে আছি না নেই। এটাকে বিশ্রামের একটা সুযোগ হিসেবে দেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি আপনি যদি না-ও ঘুমান তা-ও আপনি উপকৃত হবেন। কিন্তু ন্যাপ দীর্ঘ সময়ের জন্য নেয়া যাবে না। "

লম্বা সময়ের জন্য নয় ন্যাপ

"এই গবেষক বলেন, বিকেলের দিকে ১০ থেকে ২০ মিনিটের পরিপূর্ণ ঘুম পরিমাণে যথেষ্ট।

তিনি বলেন এটা নির্ভর করে কার জন্য কোনটি সঠিক সেটা খুঁজে দেখা এবং পরীক্ষা করা। তবে যতটুকু দরকার সেটুকু ঘুমাতে হবে যাতে মনমরা না হয়ে আরও তরতাজা প্রাণশক্তি নিয়ে আবারো কাজে মনোনিবেশ করা যায়।

তবে ২০ মিনিটের বেশি ঘুম হলে সেটাকে মনে করা হবে আপনি গভীর ঘুমে চলে গেছেন, যার ফলে হয়তো জেগে উঠতে কষ্ট হবে। আর এটা আরো খারাপ ধরনের অনুভূতি দিতে পারে- সতর্ক করেন এই গবেষক।

যারা নতুন নতুন ন্যাপ নিতে শুরু করেছেন তাদের মোবাইল ফোনে বা ঘড়িতে অ্যালার্ম সেট করে রাখতে হবে। কিন্তু কয়েক মাস পরে নিজেরাই নির্দিষ্ট এবং কাঙ্ক্ষিত সময়ে ঘুম থেকে জেগে উঠতে পারবেন ।

ডক্টর গাই বলেন, রাতে আট ঘণ্টা ঘুমানোর বহুল আলোচিত ধারণা অনুসারে 'স্লিপ ড্রাইভ' গড়ে তোলার জন্য আমাদের ১৬ ঘণ্টা জেগে থাকার প্রয়োজন হয়।

"যখন রাত ১০টা-১১টা বাজে আপনি ঘুমঘুম অনুভব করবেন। এটা অনেকটা সম্মোহনী অনুভূতি। এর কারণ আপনার স্লিপ ড্রাইভ"।

ঘুম ঘুম ভাব হলে অনেকেই তখন চা বা কফির দিকে হাত বাড়ান।

"ক্যাফেইন কাজ করে ভিন্ন উপায়ে। এটি আপনার মস্তিষ্কের কিছু অংশে যেখানে আপনার স্লিপ ড্রাইভের জন্য দায়ী রাসায়নিকগুলি থাকে সেখানে মস্তিষ্কের কিছু অংশের বন্ধন তৈরি করে। " বলেন গবেষক।

নিশ্চিতভাবে এটি সাময়িক ভাবে কার্যকর কিন্তু মধ্যবেলায় পান করা এক কাপ কফির ক্যাফেইনের উপস্থিতি আপনার শরীরে বহাল থাকবে ১২ ঘণ্টা পরও।

তো সারাটি দিন কাজের ফাঁকে সুস্থ থাকতে একটুখানি ঘুমিয়ে নিন। ঝটিকা ঘুম কেবল একজন মানুষের মুড বা মেজাজকে চাঙ্গা করে তা-ই নয়, বরং তার চেয়েও আরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নতুন এক গবেষণা বলছে, এটি হয়তো আপনাকে আরো বেশি দিন বাঁচতে সাহায্য করবে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিডি প্রতিদিন/কালাম



Sunday, March 3, 2019

ভয়ঙ্কর যখন দাঁতের চিকিৎসা



নিয়ম-নীতির বালাই নেই স্পর্শকাতর দাঁতের চিকিৎসায়। এইডস, হেপাটাইটিসের মতো প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি থাকলেও নেওয়া হচ্ছে না প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। জীবাণুমুক্ত না করে একই সরঞ্জাম দিয়ে চিকিৎসা চলছে অসংখ্য রোগীর। অনেক হাসপাতাল-চেম্বারে জীবাণুমুক্ত করার কোনো ব্যবস্থাই নেই।

যাদের আছে তারাও ঝামেলা এড়াতে বা খরচ কমাতে সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। ফলে রোগীর অজান্তেই তার শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে প্রাণঘাতী নানা সংক্রামক রোগ। দিনের পর দিন সবার চোখের সামনে এমন ঘটনা ঘটলেও এ নিয়ে কারও কোনো মাথাব্যথাই নেই


শিরোনাম


ভয়ঙ্কর যখন দাঁতের চিকিৎসা

নিয়ম-নীতির বালাই নেই স্পর্শকাতর দাঁতের চিকিৎসায়। এইডস, হেপাটাইটিসের মতো প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি থাকলেও নেওয়া হচ্ছে না প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। জীবাণুমুক্ত না করে একই সরঞ্জাম দিয়ে চিকিৎসা চলছে অসংখ্য রোগীর। অনেক হাসপাতাল-চেম্বারে জীবাণুমুক্ত করার কোনো ব্যবস্থাই নেই।

যাদের আছে তারাও ঝামেলা এড়াতে বা খরচ কমাতে সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। ফলে রোগীর অজান্তেই তার শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে প্রাণঘাতী নানা সংক্রামক রোগ। দিনের পর দিন সবার চোখের সামনে এমন ঘটনা ঘটলেও এ নিয়ে কারও কোনো মাথাব্যথাই নেই।

জানা গেছে, সাধারণত অটোক্লেভ মেশিন বা সাইডেক্স জাতীয় রাসায়নিক দিয়ে চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত করা হয়। তবে রাজধানীর বিভিন্ন ডেন্টাল কলেজ ও ডেন্টাল চেম্বার সরেজমিন ঘুরে তেমন কোনো ব্যবস্থা দেখা যায়নি। কোথাও লোক দেখানো অটোক্লেভ মেশিন থাকলেও তা নষ্ট অথবা ব্যবহার করা হচ্ছে না। চিকিৎসা সরঞ্জাম ট্যাপের পানি বা সর্বোচ্চ স্যাভলন মেশানো পানিতে ধুয়ে অন্য রোগীর চিকিৎসা করা হচ্ছে। রোগী সেজে রাজধানীর মিরপুর, বাড্ডা ও রামপুরার বিভিন্ন ডেন্টাল চেম্বার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। মিরপুরে অবস্থিত ঢাকা ডেন্টাল কলেজের আশপাশেই গড়ে উঠেছে প্রায় অর্ধশত ডেন্টাল চেম্বার। অনেকগুলোয় ডাক্তারের সাইনবোর্ড থাকলেও বসেন না কোনো বিডিএস ডাক্তার। ডেন্টাল কলেজের টেকনিশিয়ানরাই সেখানে চিকিৎসা করেন। অভিযানের খবর পেলে ফোন করে ডাক্তার ডেকে আনা হয়। অধিকাংশ চেম্বারে সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত করার কোনো ব্যবস্থা নেই। অনেক চেম্বারের মালিক বা চিকিৎসক পদধারী ব্যক্তি অটোক্লেভ মেশিনের নামও জানেন না। রোগী সন্তুষ্ট করতে কয়েকটি ক্লিনিকে রাখা হয়েছে বৈদ্যুতিক হিটার। সচেতন রোগী দেখলে তার সামনে খোলা স্টিলের পাত্রে গরম পানি দিয়ে সরঞ্জাম পরিষ্কার করা হয়। সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সৈয়দ আহসান তৌহিদ বলেন, স্যাভলন দিয়ে ধুয়ে বা সাধারণ পাত্রে কয়েক মিনিট ফুটালে সব জীবাণু ধ্বংস হয় না। চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত না করে সার্জারি করলে রক্তবাহিত যে কোনো রোগ ছড়াতে পারে। অনিরাপদ দাঁতের চিকিৎসা থেকে এইচআইভি (এইডস), হেপাটাইটিস বি বা সি-এর মতো প্রাণঘাতী রোগও সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। সাধারণত রাসায়নিক দিয়ে বা অটোক্লেভ মেশিনে ১২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপ ও ১৫ পিএসআই চাপে ১৫-৩০ মিনিট (যন্ত্রাংশের পরিমাণের ভিত্তিতে) বা ১৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ৩-১০ মিনিট রেখে সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত করা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে বাংলাদেশে হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাসে প্রায় এক কোটি মানুষ আক্রান্ত। ফোরাম ফর দি স্টাডি অব দি লিভারের তথ্যানুযায়ীÑ বাংলাদেশে হেপাটাইটিসে আক্রান্ত হয়ে বছরে ২২ হাজার ৫০০ মানুষের মৃত্যু ঘটছে। এদিকে সংক্রামক রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ায় গত বছরের নভেম্বরে জেল-জরিমানার বিধান রেখে ‘সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮’ প্রণয়ন করে সরকার। তাতে বলা হয়, যদি কোনো ব্যক্তি সংক্রামক জীবাণুর বিস্তার ঘটান বা ঘটাতে সহায়তা করেন বা সংক্রমণের ঝুঁকির বিষয়টি গোপন করেন, তাহলে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে। আইনে এইচআইভি (এইডস), ভাইরাল হেপাটাইটিস, ইবোলা, যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর, ফাইলেরিয়াসিস, টাইফয়েডসহ ২৩টি সংক্রামক রোগের নাম উল্লেখ করা হয়। অথচ তদারকির অভাবে ডেন্টাল হাসপাতাল ও চেম্বারগুলোই হয়ে উঠেছে সংক্রামক রোগ বিস্তারের অন্যতম একটি মাধ্যম। ডেন্টাল সার্জন ডা. মো. শামীমুল আলম বলেন, দাঁতের চিকিৎসায় অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন। ভালো ক্লিনিক ও হাসপাতালগুলোয় অটোক্লেভ মেশিন, হট এয়ার ওভেন ব্যবহার করা হয়। প্লাস্টিকের সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত করতে সাইডেক্স বা সমধর্মী কোনো রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত করতে এলে খুব বেশি টাকা ব্যয় হয় না। কিছুটা সময় প্রয়োজন হয় আর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে অতিরিক্ত বেশ কয়েক সেট সরঞ্জাম থাকতে হয়। ব্যয়বহুল হওয়ায় অনেকে এক-দুই সেট দিয়েই দিনের পর দিন কাজ চালিয়ে যান। ফলে রোগীর চাপ থাকলে জীবাণুমুক্ত করার সময় পান না। আবার নিম্নমানের ও একই সুচ অনেকদিন ব্যবহার করলে তা রোগীর মাড়িতে ভেঙে রয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে। এসব ব্যাপারে সচেতন থাকা চিকিৎসকের নৈতিক দায়িত্ব। খরচ একটু বেশি হলেও প্রয়োজনে রোগীকে বুঝিয়ে বলা উচিত। স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (ডেন্টাল) ডা. উম্মে সালমা আবদুল্লাহ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, যে কোনো সার্জারিতে সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত করে কাজ করার বিধান আছে। এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন দফতর থেকে মাঝে মধ্যে অভিযান চালানো হয়। এ ছাড়া স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাসপাতাল শাখায় প্রমাণসহ কেউ লিখিত অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

কোন কোন গাছ লাগালে মশার উপদ্রব থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব-


শীতকাল শেষ। প্রতিদিন বাড়ছে তাপমাত্রা। গরম বাড়তেই ফের বেড়েছে মশার উপদ্রব। তবে বেশ কয়েকটি গাছ আছে, যেগুলির গন্ধ মশা মোটেই সহ্য করতে পারে না।

আসুন এবার জেনে নেওয়া যাক কোন কোন গাছ লাগালে মশার উপদ্রব থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব-

১) গাঁদা ফুলের গন্ধে শুধু মশা নয়, যে কোনো পোকামাকড়ই এর ধারে কাছে ঘেঁষে না। তাই বাড়ির চারপাশে গাঁদা গাছ লাগান। দূরে থাকবে মশা, মাছি, পোকামাকড়।

একই সঙ্গে বাড়বে বাড়ির শোভাও।

২) তুলসির একাধিক স্বাস্থ্য ও আয়ুর্বেদিক গুণের আমরা অনেকেই জানি। তুলসি গাছ পরিবেশকে জীবাণুমুক্ত, বিশুদ্ধ রাখতে সাহায্য করে। তুলসির গন্ধ মশা, মাছি, পোকামাকড়কে দূরে রাখে। তাই বাড়িতে টবে হলেও তুলসি গাছ লাগান।

৩) লেবু পাতার গন্ধ মশা, মাছি একদমই সহ্য করতে পারে না। তাই মশা তাড়াতে বাড়িতে লেবু গাছ লাগাতে পারেন।

৪) রসুন শুধু রান্নায় স্বাদ বাড়ায় না, একই সঙ্গে দ্রুত ক্ষত সারাতেও সাহায্য করে। কিন্তু জানেন কি, বাড়িতে রসুন গাছ লাগালে মশার উপদ্রব থেকেও সহজে মুক্তি পাওয়া যায়। বিশ্বাস না হলে বাড়িতে রসুন গাছ লাগান আর ফল পান হাতেনাতে।

Bd protidin

Friday, March 1, 2019

সন্তান পড়াশোনায় অমনযোগী? জানুন সমস্যা সমাধানের কৌশল

পড়াশোনায় মোটেও মনযোগ নেই। স্কুলে পারফর্মেন্স তলানিতে ঠেকেছে। ক্লাস টিচারের অভিযোগ প্রতিদিন শুনতে শুনতে হয়রান -এমন অভিযোগ শোনা যায় অনেক বাবা-মায়ের মুখেই। আবার দেখা যায় অনেক চেষ্টা করেও পড়া মনে রাখতে পারছে না সন্তান। সে নিজেও বুঝতে পারছে না কেন ভুল হচ্ছে এত? অমনোযাগই কি এর জন্য শুধু দায়ী? না কি মনে রাখতে না পারাটাও একটা সমস্যা?

জেনে রাখুন, এমন সমস্যা আজকাল ঘরে ঘরে। আপনিও হয়তো সারা দিনের শেষে সন্তানের পড়াশোনার বিষয় নিয়ে ভাবতে বসলেই অমনযোগিতার কথাই হয়তো বার বার আপনার চিন্তা বাড়িয়ে দিচ্ছে। শাসন করে, ভয় দেখিয়েও অমনোযোগের অসুখকে কব্জা করা যায় না। এর জন্য দরকার কিছু জরুরি কৌশল। দেখে নিন কোন কোন উপায়ে সন্তানের অমনোযাগিতা দূর করবেন :

► সন্তান কিছুটা বড় না হওয়া পর্যন্ত পড়তে বসলে তার সামনে থাকুন।

এমন একটা সময় তার পড়ার জন্য বরাদ্দ করুন, যাতে অফিস সামলে সেই সময়টা আপনিও বাড়িতে থাকেন। সামনে থাকলে ওর ভুলে যাওয়ার কারণ, কোথায় ঘাটতি সে সব বোঝা অনেক সহজ হবে।

► শিশুর ক্ষেত্রে ছবি ও ব্লকের সাহায্য  নিন। পড়ার বিষয়টা ছবি এঁকে, প্রয়োজনে আলাদা আলাদা রং ব্যবহার করে বোঝান। পড়াশোনার ক্ষেত্রে ভিজ্যুয়াল কোনো দৃশ্যও খুব কাজে আসে। তাই ইতিহাস বা নাটক বোঝাতে বসলে সেই ঘটনার উপর নির্মাণ কোনো নাটক বা সিনেমার দৃশ্যও দেখাতে পারেন। এতে মনে থাকবে বেশি। তবে সাহিত্য নির্ভর হলে তবেই তা দেখাবেন। বইয়ের গল্প পরিবর্তন করা নাটক-সিনেমায় সে সময় আস্থা রাখবেন না।

► সন্তান যা পড়ছে, সেটা আপনাকে পাল্টা বোঝাতে বলুন। এটা করতে সক্ষম হলে বুঝবেন, পড়া বুঝতে বা মনে রাখতে তার আর সমস্যা হবে না। ​

► পড়া বুঝে লিখে ফেলতে বলুন একবার। লিখে ফেললে সহজেই মনে রাখতে পারবে।  

► ইতিহাস বা সাহিত্য গল্পের ছলে বুঝিয়ে বলুন সন্তানকে। মনে রাখা যায় এমন কিছু কৌশল আছে। যেমন, কোনো কোনো সাল-তারিখ বা বানান, রসায়নের পর্যায় সারণী- এসব মনে রাখার সহজ কিছু কৌশলগত ফর্মুলা আছে। নেট থেকেও সে সব জানা যায়। নিজে তা এক জায়গায় করে সন্তানকে বুঝিয়ে দিলে তো ভালই, একান্ত তা না পারলে অন্য কারও সাহায্য নিন বা ওকেই বলুন নেট ঘেঁটে সে সব জোগাড় করে নিতে।

► শিশু একাগ্র না হলে তাকে একটানা পড়াবেন না। এতে সন্তানের মনঃসংযোগের ঘাটতি দেখা যায়। বরং পড়ার মাঝে মাঝে ওর পছন্দের কিছু করতে দিন। এতে আনন্দ পাবে, মন ভালো রেখে পড়লে মনে রাখতেও পারবে সহজে।

► পড়া পারলে এই কিনে দেব, ওই কিনে দেব এ সব লোভ দেখানো ছোট থেকেই বন্ধ করুন। এতে মনঃসংযোগ তো বাড়েই না, উল্টে ওর মধ্যে নিজের দায়িত্ব-কর্তব্যের প্রতি দায়বদ্ধতা আসে না। যা করে, তা পুরস্কারের লোভে করে।

► অ্যাবাকাসের সাহায্য নেওয়া, পড়াশোনাকে খেলার ছলে সহজ করে তোলার পরেও ওর মনঃসংযোগ বাড়াতে না পারলে মনোবিদের সাহায্য নিন। কয়েকটা কলসাল্ট সিটিং ওর ভিতরের সমস্যাকে সামলে দিতে পারবে সহজেই।