Tuesday, July 31, 2018

আন্তর্জাতিক ত্রাণ সহায়তা সংস্থাগুলোতে মহামারীর আকার ধারণ করেছে যৌন হয়রানির ঘটনা

আন্তর্জাতিক ত্রাণ সহায়তা সংস্থাগুলোতে মহামারীর আকার ধারণ করেছে যৌন হয়রানির ঘটনা।


যৌন হয়রানিতে জড়িত অক্সফাম ও সেভ দ্য চিলড্রেনের মতো বিশ্বের প্রথমসারির ত্রাণ সংস্থাগুলো। জড়িত বিশ্বের সর্বোচ্চ সংস্থা জাতিসংঘের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। এসব সংস্থার গার্ড থেকে শুরু করে ড্রাইভার পর্যন্ত, মাঠকর্মী থেকে শুরু করে পরিচালক পর্যন্ত সবার বিরুদ্ধেই অভিযোগ উঠেছে।


ত্রাণ সহায়তার নামে অসহায় নারী ও কিশোরী মেয়েদের ফাঁদে ফেলছে তারা। একদিন, দু’দিন নয়, দুই দশক ধরে ঘটছে এমন নারকীয় ঘটনা। বিচারহীনতা আর দায়মুক্তির সংস্কৃতির কারণে পার পেয়ে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা। যুক্তরাজ্য সরকারের এক প্রতিবেদনে যৌন হয়রানির এই ভয়াবহ তথ্য ফুটে উঠেছে। ‘হাউস অব কমনস ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কমিটি’র তদন্ত প্রতিবেদনটি মঙ্গলবার প্রকাশ করা হয়।


মঙ্গলবার সিএনএন এ খবর জানিয়েছে। প্রতিবেদনটিতে আফ্রিকার লাইবেরিয়া, গিনি, সিরিয়া ও সিয়েরালিয়নের মতো দেশগুলোর শরণার্থী শিবিরগুলোতে যৌন নির্যাতনের লোমহর্ষক সব গল্প উঠে এসেছে। যৌন হয়রানির শিকার ১৩ থেকে ১৮ বছরের কিশোরীরা।


হয়রানির শিকার হয়ে যৌন রোগ ও অনাকাক্সিক্ষত গর্ভধারণের শিকার হয়েছে তাদের অনেকেই। হাইতির এক গৃহহীন বালিকা (নাম উল্লেখ করা হয়নি)। ২০১০ সালে মাত্র এক ডলার সহায়তার বিনিময়ে তাকে ধর্ষণ করে যুক্তরাজ্যভিত্তিক বেসরকারি ত্রাণ সহায়তা সংস্থা অক্সফামের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। আরেক কিশোরী জানান, ত্রাণ সহায়তার প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে এক ত্রাণকর্মী। এতে তিনি গর্ভবতী হয়ে পড়েন।


সংস্থাগুলোর কর্মীদের বিরুদ্ধে এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রায় ছয় মাসের তদন্ত শেষে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহু বছর ধরে চলা এ ধরনের ঘটনাগুলোর সমাধানে সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপই নেয়া হয়নি।


কমিটি প্রধান এমপি স্টিফেন টুইগ বলেন, কমপক্ষে ১৭ বছরের বিশাল সময় ধরে চলা নানা ব্যর্থতার চিত্র প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। সহায়তাকারী সংস্থাগুলো তাদের সুনাম ধরে রাখতে বিভিন্ন সময় ঘটা ঘটনাগুলো ধামাচাপা দেয়ারও চেষ্টা করেছে।


প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, ২০০১ সালে জাতিসংঘসহ অন্যান্য সহায়তাকারী সংস্থার কর্মীরা লাইবেরিয়া, ঘানা, সিরিয়া ও সিয়েরালিয়নের শরণার্থী শিবিরে থাকা ১৩ থেকে ১৮ বছরের মেয়েদের ওপর যৌন নিপীড়ন চালিয়েছে।


মানসিক চাপ কমাবে এ খাবারগুলো

দৈনন্দিন জীবনে মানসিক চাপ নানা প্রতিবন্ধিকতার সৃষ্টি করে। বিষয়টি কষ্টদায়ক হলেও অধিকাংশেরই দিনের বেশিরভাগ সময় কাটে মানসিক চাপে। এর প্রভাব পড়ে আমাদের শরীরেরও। এতে হজমের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, অনিদ্রা, স্নায়ুর সমস্যা ইত্যাদি নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে থাকেন। এগুলো শরীরের জন্য সবসময় ভালো নাও হতে পারে। নিয়মিত এসব অ্যান্টিবায়োটিকে সেবনে অনেকের ক্ষেত্রে নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তবে এমন কিছু খাবার রয়েছে, যা কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই আপনার মানসিক চাপ দূর করবে নিমিষে।


চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক মানসিক চাপ এক নিমিষে দূর করবে যে খাবারগুলো...


ডার্ক চকলেট


ডার্ক চকলেট মানুষের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণের জন্য অনেক বেশি কার্যকরী। এটি খেলে শরীরে ‘এন্ডোরফিন’ নামক হরমোনের নিঃসরণ ঘটে, যা মানসিক চাপ দূর করে। তবে সাধারণ মিল্ক চকলেট নয়, বরং ডার্ক চকলেট খাওয়াই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।


সবুজ সবজি


সবুজ সবজি যেমন, ব্রকলিন, শসা ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড ও ম্যাগনেসিয়াম উপস্থিত। এই উপাদানগুলো আমাদের মস্তিস্কে ভালোলাগার অনুভূতি সৃষ্টি করে। প্রতিদিন ১ কাপ সবুজ শাক-সবজি খেলে মানসিক চাপের সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে।


কাঠবাদাম


কাঠবাদামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও ভিটামিন ই উপস্থিত, যা শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। এটি শরীরে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাকে উন্নত করে। ফলে মানসিক চাপ বা বিষণ্ণতার মতো সমস্যা কম দেখা দেয়। এ জন্য প্রতিদিন অন্তত ৫-৬টা কাঠবাদাম খাওয়ার অভ্যাস জরুরি।


মিষ্টি আলু


মিষ্টি আলুর সঙ্গেও মানুষের অনুভূতির সম্পর্ক রয়েছে। মিষ্টি আলু খেলে মানসিক চাপ দ্রুত দূর হয়। তাই মানসিক চাপে পড়লে মিষ্টি আলু সেদ্ধ করে খেতে পারেন।


চিনি


চিনি বেশি খাওয়া যদিও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, কিন্তু মানসিক চাপ দূর করতে চাইলে সামান্য চিনি খেতে পারেন। এতে আমাদের মস্তিষ্ক উদ্দীপ্ত পেশিগুলো শিথিল হওয়া শুরু করে এবং মানসিক চাপ কমে যায়। চিনির পরিবর্তে ১ চামচ মধুও খাওয়া যেতে পারে। তবে ডায়বেটিসের রোগীদের জন্য এই পদ্ধতি উচিত নয় একেবারেই।


Monday, July 30, 2018

আমেরিকায় বাঙালি কমিউনিটিতে পরকীয়ার আগ্রাসন

বয়সের ব্যবধান, শিক্ষাগত বৈষম্য, কালচারাল বিরোধ এবং পেশা নিয়ে মিথ্যাচারের জের হিসেবে সংসার ভেঙে যাচ্ছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে পারিবারিক বিরোধ চরমে উঠছে।

পারস্পরিক অবিশ্বাস তছনছ করে দিচ্ছে প্রবাস জীবনকে। স্বপ্নের আমেরিকা ভেঙে চুরমার হচ্ছে।  

সংসার ভেঙে যাওয়া পরিবারের সন্তানরা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। কেউ কেউ ঠাঁই নিয়েছে সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রে। আবার কেউ আত্মীয়-স্বজনের কাছে। নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, পেনসিলভেনিয়া, ওয়াশিংটন মেট্রো ফ্লোরিডা, ম্যাসাচুসেটস, জর্জিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, মিশিগানসহ বিভিন্ন স্থানে গত দুই বছরে শতাধিক পরিবার ভেঙে গেছে। সংশ্লিষ্ট অ্যাটর্নি, কমিউনিটিভিত্তিক সংগঠনের কাছ থেকে জানা যায় এসব তথ্য।  

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে বিয়ে করে নিয়ে যাওয়ার পরই ডিভোর্সের ঘটনা বেশি ঘটছে। গ্রীনকার্ড হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্ত্রী কেটে পড়ছেন।

ঝগড়ার নাটক করে কেউ কেউ পুলিশ ডাকেন। আবার কেউ স্বামীর অজ্ঞাতে বাসা ছাড়ছেন। এসময় স্বর্ণালঙ্কার এবং নগদ অর্থ নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও রয়েছে। কোনো কোনো পরিবারে পারস্পরিক অবিশ্বাসের কারণে ভাঙন ধরেছে। স্বামী-স্ত্রী উভয়েই কর্মজীবী এমন পরিবারে পরকীয়ার অভিযোগ উঠলেই তা মারদাঙ্গা রূপ নিচ্ছে।  

পুলিশ, জেল, জরিমানার পর তা গড়াচ্ছে ডিভোর্সে। সংসার ভাঙার ঘটনা বেশি ঘটছে সাম্প্রতিক সময়ে। ২০/২২ বছর সংসার করার পরও পারস্পরিক অবিশ্বাসের বলি হচ্ছেন অনেকে। এ সময় তারা এতটাই বেপরোয়া যে, স্কুল-কলেজগামী সন্তানের কথাও ভাবতে চাচ্ছেন না। একই বয়সী সহকর্মীর সঙ্গে পরকীয়ার ঘটনা দিনদিনই বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কোনো কোনো মসজিদের ইমামকেও এ নিয়ে দেন দরবার করতে হচ্ছে। অনেক আঞ্চলিক সংগঠনের কর্মকর্তারাও চেষ্টা করছেন এমন ঝামেলা মিটিয়ে ফেলতে।   কিন্তু তা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সফল হচ্ছে না।  

ডিভোর্সের প্রবণতা বেড়েছে অনেকের গ্রিনকার্ডের প্রত্যাশায়। যাদের স্ট্যাটাস নেই, তারা তালাকের মতো পরিস্থিতির শিকার হলে দ্রুততম সময়ে গ্রিনকার্ড পাওয়া যায়। তবে, গত দুই বছরে পুলিশ ডাকাডাকির যতগুলো ঘটনা ঘটেছে, তার সিংহভাগই সিটিজেন পরিবার। অর্থাৎ বৈধতার প্লট হিসেবে তারা মারদাঙ্গায় লিপ্ত হননি। প্রেমিক/প্রেমিকার সঙ্গে স্থায়ীভাবে বসতি গড়তেই চরম পরিস্থিতিতে ধাবিত হয়েছেন।  

অনুসন্ধানে জানা গেছে, তালাকের শিকার পরিবারে স্বামীর চেয়ে স্ত্রীর আয় বেশি, স্বামীর চেয়ে স্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা বেশি, স্বামীর চেয়ে স্ত্রী বেশি আধুনিক ছিলেন। অর্থাৎ সব সময় স্বামীকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা হতো। আর এ সুযোগে পরিচিতরা ওই স্ত্রীর সান্নিধ্য লাভে সক্ষম হন। শুরু হয় পরকীয়া। নগদ অর্থের ছড়াছড়ি করতেও কেউ কেউ পিছপা হয় না। পরিণতিতে যা হওয়ার তাই হচ্ছে।  

নিউইয়র্ক অঞ্চলে কয়েক মাস আগে শতাধিক শিশুকে সরকারি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এদের মা-বাবা মারপিটে লিপ্ত হয়েছিলেন। সাংসারিক টানাপড়েনে নয়, পরকীয়া অথবা পারস্পরিক অবিশ্বাসে। এসব শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়ে ওইসব মা-বাবার ন্যূনতম মাথাব্যথা নেই। এমন পরিবারের স্বামী-স্ত্রী উভয়েই অল্প শিক্ষিত।  

স্বপ্ন দেখতে দেখতে আমেরিকায় আসার পর মোহভঙ্গ ঘটেছে। অর্থাৎ কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা পাচ্ছেন না। আত্মীয়-স্বজনকে উপঢৌকন পাঠাতে সক্ষম হচ্ছেন না। এখানেও বাড়ি-গাড়ির মালিক হওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এমনকি বাসায় কাজের লোক রাখাও যোগ্যতাও নেই। এমন বাস্তবতাকে অনেক অর্ধ-শিক্ষিত মহিলা মেনে নিতে চান না। অন্যের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়েন।  

অপরদিকে, অনেক পুরুষও কর্মস্থলে সহকর্মী অথবা চলতি পথে পরিচয় হওয়া সুন্দরী নারীর প্রতি আকৃষ্ট হন। স্ত্রীর অজ্ঞাতে ওই শ্রেণির নারীর সঙ্গে ক্রমান্বয়ে ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন। হোটেল-মোটেলের খরচ পোষায় না বলে সুযোগ বুঝে ঘরেই বেপরোয়া আচরণে লিপ্ত হন। গোপন কথাটি রয় না গোপনে। শুরু হয় কুরুক্ষেত্র।  

আইনজীবীরা জানান, মামুলি বিষয়ে অনেক বাঙালির ঘর ভেঙেছে। কোনো কোন শ্বশুর-শাশুড়িরও ইন্ধন থাকে সংসার ভাঙার ক্ষেত্রে। সন্তানের বেশি স্বাচ্ছন্দ্য দেখার লোভে ভয়ঙ্কর একটি পরিস্থিতির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছেন অনেক মা-বাবা।  

আইনজীবী এবং মানসিক চিকিৎসকরা বলেছেন, এমন অবস্থার অবসানে দরকার কাউন্সেলিং। তাহলে ডিভোর্সের প্রবণতা রোধ করা সম্ভব। পরস্পরের ওপর অবিশ্বাসের ভীত কখনোই মজবুত থাকে না। তাই, কাউন্সেলিং পেলে সেই অবস্থার অবসান ঘটতে পারে। সন্তানদের অসহায় করে ডিভোর্সের মতো চরম একটি পথে পা বাড়ানো উচিত নয় কোনো মা-বাবারই। এছাড়া, সন্তানের সামনে ঝগড়ায় লিপ্ত হওয়াও সমীচীন নয়। এর ফলে সন্তানের ব্রেনে আঘাত লাগে। ওরা সব সময় অস্থিরতায় ভোগে। ভালো মানুষ হিসেবে বেড়ে উঠতে পারে না।  

মা-বাবার কারণে যেসব শিশুকে সরকারি হেফাজতে নেওয়া হচ্ছে-তারা বাঙালি কালচার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। জীবন বলতে কিছু থাকবে না। ওরা বেড়ে উঠবে পরিচয়হীন একজন আমেরিকান হিসেবে। তা কোনো মা-বাবারই কাম্য হওয়া উচিত নয়।  

অভিজ্ঞজনরা পরামর্শ দিয়েছেন, দেশে বিয়ে করার আগে সবকিছু প্রকাশ করা উচিত। বিশেষ করে আমেরিকায় আপনি কী করেন ? কত উপার্জন? লেখাপড়া কতটা করেছেন? বাসা-গাড়ি আছে কিনা ইত্যাদি। যাকে বিয়ে করছেন তার বয়সের সঙ্গে আপনার বয়সের ব্যবধান কত-এটিও প্রকাশ করা উচিত।  

ডিভোর্সের শিকার অধিকাংশ পুরুষেরই বয়স প্রায় দ্বিগুণ ছিল নবপরিণীতার তুলনায়। অনেক সময় শুধু অর্থ-বিত্তে নারীরা সন্তুষ্ট থাকেন না। জৈবিক ক্ষুধাও মেটাতে হয়। সেটি করতে সক্ষম না হলেই নারীরা পর পুরুষে আকৃষ্ট হয়ে পড়েন।  

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আরও জানা গেছে, অনেক মেয়েই আমেরিকায় আসার অভিপ্রায়ে যে কোনো বয়সী পুরুষকে বিয়ে করতে চান। তাদের টার্গেট হচ্ছে আমেরিকায় এসে গ্রিনকার্ড লাভ করা। এরপরই তারা প্রেমিকের কাছে ছুটেন। এমন ঘটনাও ইদানীং বেড়েছে। এ নিয়ে ডিভোর্সের জন্য আদালতে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। কারণ, মহিলারা স্বেচ্ছায় চলে যাচ্ছেন। এসব বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশে।  

ভয়ঙ্কর এ পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে নিউইয়র্কে বসবাসরত অ্যাডভোকেট শামীম আরা ডোরা বলেছেন, ডিভোর্সের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আমেরিকান স্বপ্ন তছনছই শুধু হচ্ছে না, বাঙালির ভবিষ্যৎও বিপন্ন হতে বসেছে। এ ব্যাপারে এখনই সজাগ হওয়া জরুরি। বাঙালি সমাজ ব্যবস্থা নিয়ে ভিনদেশিদের মধ্যে যে উচ্চ ধারণা রয়েছে, তা অটুট রাখতে সবাইকেই সচেষ্ট থাকতে হবে।  

নারী-পুরুষ সবাইকেই এ দায় নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে। লোভ-লালসা নয়, ন্যায়নিষ্ঠভাবে কাজে অর্জিত অর্থই সুপথের দিশা দিতে পারে। আর আমেরিকা হচ্ছে ভাগ্য গড়ার অপূর্ব সুযোগের দেশ। তাই সবাই যদি নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করি তাহলে আমেরিকান স্বপ্ন পূরণ করা অসম্ভব হয় না। এমন দৃষ্টান্ত প্রচুর রয়েছে।  

যুক্তরাষ্ট্রের সেনসাস ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে নিউইয়র্ক সিটিতে প্রতি হাজার দম্পতির মধ্যে গড়ে ১২.৯টি ভেঙে গেছে। নিউজার্সিতে এ হার ১২.৭।  

বস্টন অধ্যুষিত  ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যে ডিভোর্সের এ হার ১২.৩। হাওয়াইতে ১২.৬। সবচেয়ে বেশি হচ্ছে আরকানসাসে-২৩.৪ এবং আইডাহোতে ২১.৯। নেভাদায় ডিভোর্সের হার প্রতি হাজারে ২১.৩।

Sunday, July 29, 2018

মিরসরাইয়ে দেড় বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের আগ্রহ চীনাদের

চীনের সিচুয়ান সিল্করোড ইকনোমিক বেল্ট ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড করপোরেশন চেম্বার অব কমার্সের প্রতিনিধিরা রোববার এ বিষয়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই করেন। 


বেজার পক্ষে এর নির্বাহী সদস্য হরুনুর রশীদ এবং সিচুয়ান সিল্করোড চেম্বারের চেয়ারম্যনান লু চ্যাংওয়েন এই সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।


অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সিচুয়ান চেম্বার অব কমার্স মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রাথমিকভাবে ১ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে।


তাদের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ৯৮৮ দশমিক ৫০ একর জমির একটি অংশে শিল্প উৎপাদন অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। সেখানে অটোমোবাইল ও মোটরসাইকেল, কৃষি যন্ত্রপাতি ও গবাদি পশুর খাবার উৎপাদন করা হবে।


এছাড়া স্টিল, টেক্সটাইল ও খাদ্য উৎপাদনের জন্য বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স নির্মাণ করতে চান চীনা বিনিয়োগকারীরা। দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য একটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলারও পরিকল্পনা আছে তাদের।


বিস্তৃ এই শিল্প এলাকায় সিনো-বাংলা কালচারাল কমিউনিকেশন অঞ্চল নামে একটি বিশেষ এলাকা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা অনুষ্ঠানে জানানো হয়।


বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী অনুষ্ঠানে বলেন, “তারা দীর্ঘদিন আগে এই প্রস্তাবগুলো আমাদের কাছে রেখেছিলেন। আমরা তাদেরকে আমন্ত্রণ করি যাতে তারা নিজের চোখে প্রকল্প এলাকা দেখে গিয়ে চুক্তি করতে পারেন।”




চীন ছাড়াও জাপান, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশের ইকনোমিক জোনগুলোতে বিনিয়োগ প্রস্তাব দিয়েছেন বলে পবন চৌধুরী জানান।

তিনি বলেন, “প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব হাতে এসেছে। এর সঙ্গে চীনের সিচুয়ান সিল্করোড চেম্বারের বিনিয়োগ যোগ হল। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই প্রস্তাব বাস্তবের মুখ দেখবে।”


প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সারা দেশে একশ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বেজা।


এর মধ্যে দিয়ে এক কোটি লোকের কর্মসংস্থান এবং ৪০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভবনা রয়েছে বলে বেজা কর্মকর্তারা আশা করছেন।


তারা জানান, ইতোমধ্যে ৮৯টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৬টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজ শেষ হয়েছে; আরও ১২টি অঞ্চল নির্মাণের পর্যায়ে রয়েছে।


চট্টগ্রামের মিরসরাই ও ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার ৩০ হাজার একর জমি নিয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল। ইতোমধ্যে সেখানে তিন হাজার একর জমিতে অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হয়েছে বলে পবন চৌধুরী জানান।


ভৌগলিকভাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে এবং চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৬৫ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় এই অর্থনৈতিক অঞ্চল ইতোমধ্যে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ তৈরি করেছে।


বিদ্যুৎ ও গ্যাসের চাহিদা মেটাতে অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভেতরেই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে বেজা।


Saturday, July 28, 2018

তেলাপোকা তাড়ানোর ঘরোয়া উপায়

ঘরে পোকামাকড়ের উপদ্রব খু্বই বিরক্তিকর। আর তা যদি হয় তেলাপোকা, তাহলে তো কথাই নেই। এটি শুধু বিরক্তিকরই নয়, নানারকম অসুখের কারণও। বাজারে তেলাপোকা দূর করার জন্য নানা স্প্রে নানা ঔষধ পাওয়া যায়। কিন্তু সবসময় এই স্প্রে বা ঔষধ কাজ করে না।


তবে তেলাপোকা তাড়ানোর জন্য ঘরোয়া কিছু উপায় রয়েছে।খুব সহজে দূর হবে ঘরের তেলাপোকা।


আসুন জেনে নেই কীভাবে তাড়াবেন ঘরের তেলাপোকা।


তেজপাতা


তেজপাতা তেলাপোকা দূর করতে সাহায্য করে। কয়েকটা তেজপাতা গুঁড়া করে নিন। যেসকল স্থানে তেলাপোকা আসতে পারে সেখানে তেজপাতার গুঁড়া রেখে দিন। তেলাপোকা তেজপাতার গন্ধ সহ্য করতে পারে না। এটি তেলপোকা মারবে না কিন্তু তেলপোকাকে ঘর থেকে দূরে রাখবে।


বেকিং সোডা ও চিনি


সমপরিমাণে বেকিং সোডা এবং চিনি মিশিয়ে নিন। এবার যেসব ঘরে তেলাপোকা আনা গোনা সেখানে ছিটিয়ে দিন। তেলাপোকা এটি খাওয়ার সাথে সাথে মারা যাবে।


শসা


শসা তেলাপোকা দূর করতে অনেক বেশি কার্যকরী। একটি অ্যালুমিনিয়াম ক্যানে শসার কিছু খোসা নিন। এবার এই ক্যানটি তেলপোকা আসার স্থানে রেখে দিন। দেখবেন তেলাপোকা উপদ্রব বন্ধ হয়ে গেছে। শসার খোসা অ্যালুমিনিয়ামের সাথে বিক্রিয়া ঘটিয়ে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে থাকে। যা তেলাপোকার মৃত্যু ত্বরান্বিত করে থাকে।


প্রেট্রোলিয়াম জেলি


একটি জারে প্রেট্রোলিয়াম জেলি নিন। এবার এতে কিছু ফলের খোসা যেমন আম, কলা, আপেল রেখে দিন। ঘরের যে জায়গা দিয়ে তেলাপোকা প্রবেশ করে সেখানে এই জারটি রেখে দিন। ফলের খোসার গন্ধ তেলাপোকাকে আকৃষ্ট করবে আবার প্রেট্রোলিয়াম জেলী তেলাপোকাকে জারের ভিতরে ঢুকতে বাঁধা দিবে। তেলাপোকা যখন জারের চারপাশে এসে জমে যাবে তখন স্প্রে বা সাবান পানি ছিটিয়ে দিন। দেখবেন তেলাপোকা এক নিমিষে দূর হয়ে গেছে।


গোল মরিচের গুঁড়া


একটি মগে এক লিটার পানি নিন এবং এতে একটি রসুনের কোয়া, একটি পেঁয়াজের পেস্ট এবং এক টেবিল চামচ গোল মরিচের গুঁড়া দিয়ে মিশিয়ে নিন। এবার এটি স্প্রে করে দিন সারা বাড়িতে বা যেসব জায়গায় তেলাপোকা বেশি আসে। দেখবেন তেলাপোকা আপনার বাসা থেকে দূর হয়ে গেছে।


Thursday, July 26, 2018

Republican congresswoman claims pornography is a 'root cause' of school shootings

    
'Yeah, you have to reach up to get it, but there's pornography there. All of this is available without parental guidance'

Republican congresswoman blamed pornography - as well as a host of other cultural issues - for school shootings, during a recent meeting.

Diane Black, who is running for governor of Tennessee, made the comments while speaking to a group of ministers during a "listening session" recently, according to the HuffPost wesbite, which reported the story and included audio of the remarks.

The comment about pornography came as Black wondered what was driving some children to such violent ends.

"What makes them do that?" she said. "Because as a nurse, I go back to root causes."


She then listed a couple of these root causes, which included pornography, as well as "deterioration of the family" and violence in moving

"Pornography, it's available, it's available on the shelf when you walk in the grocery store," she said. "Yeah, you have to reach up to get it, but there's pornography there. All of this is available without parental guidance. And I think that is a big part of the root cause."

Ms Black also spoke briefly about mental illness being something "we've got to address."

It is not clear whether Black gave specifics about the ways she believes pornography could lead to gun violence.

Her spokesman Chris Hartline, wrote that Ms Black "believes the breakdown of families and communities plays a significant role in instances of school violence."

Her remarks were among the latest attempts to explain the United States' high numbers of mass shootings.

Liberals and other advocates of stricter gun control point to statistics that indicate that the prevalence of guns is the single most important variable when examining why the United States has more mass shootings than other countries.

Many conservatives and the National Rifle Association point to other causes, including intense news coverage of mass shootings, video games, abortion and a lack of religion, inadequate control of entry into schools, and even the act of going to school itself.

"Hearing from many parents, they're scared to send their kids to school," Republican Texas state representative Jonathan Stickland wrote on Twitter after the shooting near Houston. "We need to give them as many different choices as possible."

Pornography has long been a target of social conservatives and some religious groups in the United States, though it has been upheld by the courts as constitutionally protected speech.

As The Washington Post wrote after legislators in Utah approved a resolution calling porn "evil, degrading, addictive and harmful," "the science isn't settled yet on what regular porn use does to the brain and a person's sexual and romantic life - especially when it comes to young people who view it in their formative years."

Debating porn's ills on society seems like a game of choose-your-own-study. There are studies that claim to show a link between pornography and a myriad of sexual, mental and emotional problems.


Parents outraged by video game where players can shoot students

And there are studies that claim to show porn watching actually helps people's relationships. In Denmark, some teachers actually use the topic of porn to teach students about the difference between consensual and nonconsensual sex, the Economistreports.

Branding porn as a public health hazard, though, also doesn't change advocates' fundamental problem: They have little legal recourse to limit it.

Studies analysing mass shootings in the United States and contrasting this country with others demonstrate that the single most important variable is the high number of guns in the United States, according to The New York Times, given that many other developed countries experience similar rates of video-game use, mental illness and other societal challenges but do not have comparable numbers of mass shootings.

Washington Post

বিদেশি অর্ডার বাতিলের শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা

দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রায় ৯২ শতাংশ চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে হয়। এসব পণ্যের শুল্ক আদায় করে কাস্টম হাউস। আমদানি পণ্যের মান যাচাইয়ে এখানে একটি অত্যাধুনিক ল্যাব থাকার কথা। কিন্তু জরাজীর্ণ ল্যাব এবং পুরনো যন্ত্রপাতির কারণে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছেন পোশাক রপ্তানিকারকরা। ফলে অনেক ক্ষেত্রে বিদেশি অর্ডার বাতিলের মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন।


ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ল্যাবে অধিকাংশ সময় ভুল রিপোর্ট আসছে। কখনো কখনো ল্যাবে থাকা যন্ত্রে পণ্যের নমুনা পরীক্ষা সম্ভব হচ্ছে না। এতে একদিকে বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় হচ্ছে, অন্যদিকে সঠিক সময়ে কাঁচামাল পান না ব্যবসায়ীরা। ভুল রিপোর্ট এলে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে গিয়ে নিজ দায়িত্বে টেস্ট করাতে হচ্ছে। বিস্ময়ের ব্যাপার হলো ভোগান্তির পর কাস্টমসের রিপোর্ট ভুল প্রমাণিত হচ্ছে। এর পরও ল্যাব টেস্টের হয়রানি বন্ধ হচ্ছে না। বর্তমানে এ ধরনের ঘটনা অনেক বেড়ে গেছে।


ব্যবসায়ীরা বলছেন, নিয়ম অনুযায়ী এসজিএসের টেস্ট রিপোর্ট অনুযায়ী কাস্টমস কর্মকর্তারা পণ্যের শুল্কায়ন করবেন। কিন্তু তারা পণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে কাস্টমসের ল্যাবে পরীক্ষা করছেন। সেখানে ঘোষিত পণ্যের সঙ্গে কিছুটা গরমিল পাওয়া যায়। এর পরই ব্যবসায়ীদের ছুটতে হয় টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় ও বিসিএসআইআরের ল্যাবে। একাধিক রিপোর্ট পর্যালোচনায় দেখা যায়, কাস্টমসের রিপোর্টই ভুল প্রমাণিত হয়েছে।


সান অ্যাপারেলসের আমদানি করা কাপড় গত বছরের ২ নভেম্বর এসজিএস নমুনা সংগ্রহ করে ৬ নভেম্বর রিপোর্ট দেয় শতভাগ ভিসকস। ১২ নভেম্বর কাস্টমসের টেস্ট রিপোর্টে আসে শতভাগ কটন। ২০ নভেম্বর বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব টেস্ট এবং ৩ ডিসেম্বর বিসিএসআইআরের ল্যাবের টেস্টে শতভাগ ভিসকস আসে। এর পর চালানটি খালাস পায়। অর্থাৎ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানটি তার চাহিদার প্রায় ২৭ দিন পর কাঁচামাল পেয়েছে। ফলে একদিকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, অন্যদিকে বিদেশি ক্রেতাকে নির্দিষ্ট সময়ে পণ্য রপ্তানি করতে পারেনি।


একই বছরের ২৯ নভেম্বর চীন থেকে আমেনা প্রাইভেট লিমিটেডের আনা শতভাগ ভিসকস কাপড়ের নমুনা সংগ্রহ করে কাস্টমস ল্যাবে পাঠান রাজস্ব কর্মকর্তা আবুল কাসেম। ল্যাবের ঊর্ধ্বতন রাসায়নিক সহকারী প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান সংশ্লিষ্ট রাজস্ব কর্মকর্তাকে জানান, নমুনাটি সঠিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। ৯৯ শতাংশ কটন ও ১ শতাংশ ইলাস্টিক ওভেন ঘোষণায় চীন থেকে আনা পণ্যের চালান খালাস নিতে ২৮ নভেম্বর নথিপত্র দাখিল করে আজিম গ্রুপ অব কোম্পানি। চীনের একটি প্রতিষ্ঠানের টেস্ট রিপোর্ট দাখিল করলেও কাস্টমস ল্যাবের পরীক্ষায় আসে মিক্সড ফেব্রিক। পরে চেম্বার নেতারা কাস্টমস কমিশনারকে বিষয়টি জানালে তিনি সুরাহার আশ্বাস দেন। কিন্তু এখনো ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।


বিজিএমইএ পরিচালক মাহবুব চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের রাসায়নিক পরীক্ষাগারে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকায় সঠিক পরীক্ষা সম্ভব হয় না। ভুল রিপোর্ট আসে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের পরীক্ষাগারের সঙ্গে বুয়েট বা টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবের রিপোর্টের মিল পাওয়া যায় না। এতে ব্যবসায়ীরা সমস্যায় পড়ছেন। যত দ্রুত সম্ভব আধুনিকায়ন প্রয়োজন।


কাস্টমসের এক কর্মকর্তা জানান, ল্যাবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম ও লোকবল নেই। তার পরও নিয়মিত সেবা দেওয়া হচ্ছে। আধুনিক যন্ত্রপাতি ও পর্যাপ্ত লোকবল থাকলে সেবার মান আরও বাড়ত। চট্টগ্রাম কাস্টমস ল্যাবরেটরির মাধ্যমে মাসে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা রাজস্ব আসে। প্রয়োজনীয়সংখ্যক আধুনিক যন্ত্রপাতি ও জনবল থাকলে রাজস্ব আহরণের পরিমাণও বাড়বে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।


নতুন যন্ত্রপাতি সংযোজনের বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম কাস্টমস কমিশনার ড. একেএম নুরুজ্জমান বলেন, ল্যাবের সব যন্ত্র যে খারাপ তা নয়। সেখানে অনেক আধুনিক যন্ত্রপাতি আছে। এর পরও আমরা খুব দ্রুত ল্যাব আধুনিকায়নের ব্যবস্থা নেব।