Tuesday, October 30, 2018

রোগ নিরাময়ে কালিজিরাকে বলা হয় মহৌষধ

রোগ নিরাময়ে কালিজিরাকে বলা হয় মহৌষধ। জ্বর, কফ, গায়ের ব্যথা কিংবা ডায়াবেটিস, সকল ক্ষেত্রেই কালিজিরা যথেষ্ট উপকারী বন্ধু।
কাজ করার শক্তিকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি তারুণ্য ধরে রাখতেও ভূমিকা রাখে এটি। প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ খাবারের সঙ্গে ‘কালিজিরা’ গ্রহণ করে আসছে। কালিজিরার তেলও আমাদের শরীরের জন্য নানাভাবে উপকারি। কালিজিরার তেলে ১০০টিরও বেশি উপযোগী উপাদান আছে। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি।

১. কালিজিরার তেলের উপকার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

২. এতে রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান। পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু ও গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায়। যারা মোটা হতে চান, তাদের জন্য কালিজিরা উপকারী পথ্য।

রোগ নিরাময়ে কালিজিরাকে বলা হয় মহৌষধ। জ্বর, কফ, গায়ের ব্যথা কিংবা ডায়াবেটিস, সকল ক্ষেত্রেই কালিজিরা যথেষ্ট উপকারী বন্ধু।

কাজ করার শক্তিকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি তারুণ্য ধরে রাখতেও ভূমিকা রাখে এটি। প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ খাবারের সঙ্গে ‘কালিজিরা’ গ্রহণ করে আসছে। কালিজিরার তেলও আমাদের শরীরের জন্য নানাভাবে উপকারি। কালিজিরার তেলে ১০০টিরও বেশি উপযোগী উপাদান আছে। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি।

১. কালিজিরার তেলের উপকার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

২. এতে রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান। পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু ও গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায়। যারা মোটা হতে চান, তাদের জন্য কালিজিরা উপকারী পথ্য।

৩. মায়ের বুকে দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে কালিজিরার তেলের তুলনা হয় না।

৪. ইনসুলিন রোধ হ্রাস করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৫. কালিজিরায় থাকা অ্যান্টিমাইক্রোরিয়াল এজেন্ট শরীরের রোগ-জীবাণু ধ্বংস করে। এই উপাদানের জন্য শরীরে সহজে ঘা, ফোড়া, সংক্রামক রোগ হতে বাধা দেয়।

৬. জ্বর, কফ, গায়ের ব্যথা দূর করার জন্য কালিজিরা যথেষ্ট উপকারী বন্ধু।

৭. কাশি ও হাঁপানির উপশম, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, হৃদরোগের আশঙ্কা হ্রাস করে।

৮. চুল পড়া কমাতে ও ত্বকের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে কালিজিরার তেলের তুলনা হয় না।

৯. যাদের শরীরে পানি জমা বা হাত-পা ফুলে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য এই তেল বেশ উপকারী।

১০. দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালিজিরা দিয়ে কুলি করলে ব্যথা কমে। জিহ্বা, তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু মরে।

১১. মেধার বিকাশের জন্য কালিজিরার তেল কাজ করে দ্বিগুণ হারে।

১২. কালিজিরা কৃমি দূর করার জন্য কাজ করে। তারুণ্য ধরে রাখে দীর্ঘকাল।

Friday, October 26, 2018

মানুষের মলে প্লাস্টিকের উপাদান

এই প্রথম গবেষকরা মানুষের মলে প্লাস্টিকের উপাদান পেয়েছেন৷ সাম্প্রতিক এক গবেষণার ফলাফলে এমন তথ্য উঠে এসেছে৷


গবেষণাটি করেছেন অস্ট্রিয়ার একদল গবেষক৷ দেশটির মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি অব ভিয়েনা ও ফেডারেল এনভায়রনমেন্ট এজেন্সি যৌথভাবে গবেষণাটি করে৷ এই পাইলট গবেষণায় অস্ট্রিয়া, ব্রিটেন, ফিনল্যান্ড, ইটালি, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, রাশিয়া ও জাপানের আটজনের এক সপ্তাহের খাবারের রুটিন পর্যবেক্ষণ করা হয়৷ ঐ আটজনকে বলা হয়, নির্দিষ্ট সপ্তাহে তাঁরা কী কী খেয়েছেন বা পান করেছেন, তা একটা ডায়েরিতে লিখে রাখতে এবং পরবর্তীতে তাঁদের মলের নমুনা পরীক্ষা করা হয়৷

দেখা যায়, আটজনের সবাই প্লাস্টিকের প্যাকেটেরভেতর থাকা খাবার খেয়েছেন কিংবা প্লাস্টিক বোতল থেকে পানি খেয়েছেন৷ তাঁদের কেউই নিরামিষভোজী ছিলেন না৷ প্রত্যেকের মলের নমুনায় প্লাস্টিক পাওয়া যায়৷

‘‘আমাদের গবেষণাগারে করা এই পরীক্ষায় তাঁদের মলে আমরা নয় ধরনের প্লাস্টিক পেয়েছি৷ এগুলোর আকার ৫০ থেকে ৫০০ মাইক্রোমিটার,'' বলেন রাষ্ট্রীয় পরিবেশ সংস্থার গবেষক বেটিনা লিবমান৷

এর আগে বিভিন্ন গবেষণায় পশুর পরিপাকযন্ত্রে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক পাওয়া গেছে৷ এমনকি এগুলোর রক্ত, লসিকা ও যকৃতে প্লাস্টিক পাওয়া গেছে৷ যদিও প্রাথমিকভাবে গবেষকরা ধারণা করেন যে, প্লাস্টিকের রাসায়নিকের কারণে পরিপাকযন্ত্র নষ্ট হয়ে যেতে পারে, কিংবা প্লাস্টিক উপাদানের উপস্থিতির কারণে তা ফুলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে৷ তবে মানুষের শরীরে আসলেই কী ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা আছে তা প্রকৃতভাবে নির্ণয়ের জন্য আরো গবেষণা দরকার৷

ঠিক কোন ধরনের খাবার কোন ধরনের প্লাস্টিকের উপস্থিতির কারণ, তা অবশ্য বলতে পারেনি গবেষক দলটি৷

খাবার ছাড়াও মানব শরীরে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উৎস হতে পারে গাড়ির টায়ার, নির্মাণ সামগ্রী এবং কসমেটিকের উপাদান৷

অবশ্য ঝুঁকি নিরূপণের জন্য জার্মানির যে ফেডারেল ইন্সটিটিউট কাজ করে, তারা বলছে, প্লাস্টিক মানব শরীরের জন্য ক্ষতিকর কিনা কিংবা কতটা ক্ষতিকর তা নির্ধরণ করা এখনো সম্ভব হয়নি৷


মহানবী (স.)কে নিয়ে কটূক্তিকারীর সাজা যৌক্তিক

মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স.)কে কটূক্তি করায় অস্ট্রিয়ান এক নারীকে দেশটির স্থানীয় আদালত যে সাজা দিয়েছেন, তা বহাল রেখেছেন ইউরোপের মানবাধিকার আদালত। একইসঙ্গে আদালত বলেছেন, ওই মহিলাকে সাজা দিয়ে তার বাকস্বাধীনতা লঙ্ঘন করেননি অস্ট্রিয়ার আদালত। এ খবর দিয়েছে বার্তাসংস্থা এপি।

ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস-এর রায়ে আরো বলা হয়েছে, সাজা দেয়ার সময় অস্ট্রিয়ার আদালত নিজেদের রায়ে ‘খুব সতর্কভাবেই ওই নারীর বাকস্বাধীনতা ও অন্যদের ধর্মীয় অনুভূতি সুরক্ষিত রাখার অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য রেখেছে।’
সাজাপ্রাপ্ত ওই নারী ২০০৯ সালে দুটি প্রকাশ্য সেমিনারে দাবি করেছিলেন, নবী মোহাম্মদ (স.)-এর সঙ্গে অল্পবয়সী এক মেয়ের বিয়ে ‘শিশু যৌন নির্যাতনে’র শামিল। ২০১১ সালে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনার একটি আদালত তার বিরুদ্ধে ধর্মীয় মতবাদকে অবজ্ঞা করার অভিযোগে ৪৮০ ইউরো জরিমানা করে। ওই মহিলা এই রায়ের বিরুদ্ধে দেশের উচ্চ আদালতে আপিল করলেও পূর্বের রায় বহাল থাকে।

অগত্যা ইউরোপের সর্বোচ্চ মানবাধিকার আদালতে যান সাজাপ্রাপ্ত ওই নারী। তার আপিলের প্রেক্ষিতেই মানবাধিকার আদালত বলেছে, অস্ট্রিয়ার আদালতের মূল সিদ্ধান্ত ধর্মীয় শান্তি অক্ষুণ্ন রাখার যৌক্তিক উদ্দেশ্য বজায় রেখেছে।
সাত বিচারক বিশিষ্ট আদালত আরো বলেছে, ওই নারীর বক্তব্য ‘বস্তুনিষ্ঠ বিতর্কের অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘন করেছে।’ এছাড়া এ ধরনের বক্তব্যের কারণে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সমাজে ‘গোঁড়া বিশ্বাস’ জন্ম দিতে পারে এমনকি ধর্মীয় শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে।

ওই নারীর বক্তব্য কেন বাকস্বাধীনতা দ্বারা সুরক্ষিত নয়, তার ব্যাখ্যায় আদালত বলেছেন, এ ধরনের বক্তব্য ‘মুসলিমদের মধ্যে যৌক্তিকভাবেই ক্রোধ জন্ম দিতে পারে।’ এ ছাড়া এসব কথা ‘তথ্যগত ভিত্তি ছাড়াই সাধারণীকরণের শামিল’।।

Friday, October 19, 2018

দাঁতের হলদেটে ভাব দূর করবে যেসব খাবার

ত্বকে ব্রণ আর হলুদ দাঁতের মতো বিভিন্ন সমস্যার ফলে আমাদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই কম হয়ে যায়৷ ব্রণ দূর করার নানা উপায় আপনি পাবেন ঠিকই, তবে দাঁত সাদা করার সেরকম উপায় নেই বলে অনেকেই চিন্তায় পড়ে যান৷ থাকলেও সবকটা কার্যকরী নয়৷ তাই দাঁত সাদা করার জন্য কী কী খাবেন দেখে নিন-

১। প্রতিদিন শসা খেতে পারেন, এতে আপনার দাঁত পরিষ্কার থাকবে৷

২। প্রতিদিন না হলেও প্রায়ই পনির খান৷ পনির আপনার দাঁতকে পরিষ্কার করার পাশাপাশি মজবুতও করে৷

৩। অনেকেই বলে চ্যুইংগামে আপনার দাঁত পরিষ্কার হয়৷ সেটা ভুলেও করবেন না৷ তার বদলে গ্রিন টি খান প্রতিদিন৷ মেদ ঝরবে দাঁতও পরিষ্কার হবে৷

৪। দাঁতের হলদেটে ভাব দূর করতে রোজ নারকেল খেতে পারেন৷ নারকেল খেলে দাঁতের সাদা ভাব ধীরে ধীরে ফুটে উঠবে৷

৫। প্রতিদিন একটা করে কাঁচা হলুদ খেলে আপনার দাঁত পরিষ্কার তো হবেই৷ সেই সঙ্গে দাঁতের ক্ষয়ক্ষতিও দূর করবে পাশাপাশি মজবুতও করবে৷


ফল আতা, মাথায় উকুন হলে নির্বংশ করতে আতাপাতার রস 

শি

বাংলাদেশে খুব সাধারণ ও জনপ্রিয় একটি ফল আতা। ধারণা করা হয়, স্বাদের দিক থেকে কিছুটা নোনতা হওয়ার কারণেই এর এমন নামকরণ হয়েছে।

তবে, হিন্দিতে এর নাম ‘রাম ফল’। আর আমেরিকার উষ্ণমণ্ডল ও পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ আতার আদি নিবাস।

পুষ্টিগুণে সমৃসমযায়। আবার যদি রস করা সম্ভব না হয় তাহলে পাকা আতা এমনি খেলেই চলবে।

৬. চুল ও ত্বকের যত্নে
আতা ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা একটি উন্নতমানের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফ্রি রেডিক্যাল নিয়ন্ত্রণে রক্ষা করে। এছাড়া ত্বকে বার্ধক্য বিলম্বিত করে। এতে উপস্থিত ভিটামিন এ চোখ, চুল ও ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।

৭. অপুষ্টিজনিত কৃশতায়
শিশু, যুবক যুবতী বৃদ্ধ যে কোনো বয়সেরই হোক এ ক্ষেত্রে পাকা আতাফলের রস ২/৩ চা চামচ করে একটু দুধের সাথে মিশিয়ে খাওয়ালে ধীরে ধীরে পুষ্টি সঞ্চার হয় এবং কৃশতাও দূর হয়। অপুষ্টিজনিত কৃশতায় আতা ফলের রস অনেক উপকারি।

৮. উকুনে
মাথায় উকুন হলে নির্বংশ করতে আতাপাতার রস ২ চা চামচ তার সঙ্গে ২/১ চা চামচ পানি মিশিয়ে চূলে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রাখলে উকুন মরে যাবে। একদিনে না গেলে ২/৩ দিন পর আবার লাগাতে হবে। এ ছাড়া পাতা বেটে লাগালেও উকুন মরে যাবে। তবে সাবধানে ব্যবহার করতে হবে যেন চোখে না লাগে, তাহলে চোখ জ্বালা করবে ও লাল হয়ে যাবে। তাছাড়া এই রস লাগানোর পর মাথা ঘুরতে থাকলে না লাগানো উচিৎ। তবে প্রথমে আধা চামচ পানি মিশিয়ে লাগিয়ে দেখা ভালো।

ঠান্ডা পানি খেলে হতে পারে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি

বাইরে থেকে গরমে ঘেমে বিদ্ধস্ত হয়ে বাড়ি ফিরেই ফ্রিজ খুলে ঠান্ডা পানি পান করেন অনেকেই। কিন্তু জানেন কী, এভাবে ঠান্ডা পানি খেলে শরীরে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে? আসুন এ বিষয়ে কিছু জরুরি তথ্য জেনে নেওয়া যাক-

অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি খেলে তার প্রভাবে রক্তনালী সঙ্কুচিত হয়ে পড়ে।

শুধু তাই নয়, হজমের সময় যে সমস্ত পুষ্টিগুণ আমা


বাইরে থেকে গরমে ঘেমে বিদ্ধস্ত হয়ে বাড়ি ফিরেই ফ্রিজ খুলে ঠান্ডা পানি পান করেন অনেকেই। কিন্তু জানেন কী, এভাবে ঠান্ডা পানি খেলে শরীরে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে? আসুন এ বিষয়ে কিছু জরুরি তথ্য জেনে নেওয়া যাক-

অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি খেলে তার প্রভাবে রক্তনালী সঙ্কুচিত হয়ে পড়ে।

শুধু তাই নয়, হজমের সময় যে সমস্ত পুষ্টিগুণ আমাদের দেহে মিশতে থাকে, তাও বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে হজমের মারাত্মক সমস্যা হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, খাওয়ার পরে ঠান্ডা পানি খাওয়া একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ এর ফলে শ্বাসনালীতে শ্লেষ্মার অতিরিক্ত আস্তরণ তৈরি হয় যা থেকে সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি খেলে তার মারাত্মক প্রভাব পড়ে দাঁতের ভেগাস নার্ভের উপর। এই ভেগাস স্নায়ু হল আমাদের স্নায়ুতন্ত্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। বেশি ঠান্ডা পানি খেলে ভেগাস স্নায়ু উদ্দীপিত হয়ে ওঠে। যার ফলে হৃদগতি অনেকটাই কমে যেতে পারে।

শরীরচর্চা বা ওয়ার্কআউটের পর ঠান্ডা পানি একদম খাওয়া উচিত নয়।

কারণ ওয়ার্কআউটের পর দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটাই বেড়ে যায়। এই সময় ঠান্ডা পানি খেলে তা দেহের তাপমাত্রার সঙ্গে বাইরের পরিবেশের তাপমাত্রার সামঞ্জস্য রাখতে পারে না। ফলে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।  

বিশেষজ্ঞদের মতে, ওয়ার্কআউটের পর যদি সামান্য উষ্ণ পানি খাওয়া যায়, তবে উপকার পেতে পারেন। সুতরাং আজ থেকেই বদলে ফেলুন এ ভাবে ঠান্ডা জল খাওয়ার অভ্যাস। না হলে একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যা একে একে বাসা বাঁধতে পারে আপনার শরীরে।

বিডি-প্রতিদিন/ আব্দুল্লাহ সিফাত তাফসীর

Tuesday, October 2, 2018

ফেসবুকের বিরুদ্ধে জরিমানা হচ্ছে

বেশ কিছুদিন ধরেই ফেসবুক ঘিরে নানা সমালোচনার ঝড় বইছে। ভুয়া খবর ঠেকানোর ব্যর্থতা কিংবা রাজনৈতিক ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপের মতো বিষয়গুলোকে ভালোভাবে নেয়নি বিভিন্ন দেশের সরকার। এর বাইরে প্রাইভেসি বা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার বিষয়গুলোয় ফেসবুকের নিরাপত্তার ব্যর্থতার জন্য ব্যবহারকারীরা আস্থা হারাচ্ছেন। এ বছরের কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা কেলেঙ্কারি ছিল ফেসবুকের জন্য বড় ধাক্কা। ওই সময়েই বড় আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল। এবারে আরও বড় ধাক্কা খেয়েছে ফেসবুক। পাঁচ কোটি ব্যবহারকারীর তথ্য বেহাত হয়েছে ফেসবুক থেকে।


নিউইয়র্কভিত্তিক আর্থিক ও ডেটাসেবা প্রদানকারী এবং মিডিয়া কোম্পানি ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক হ্যাক হওয়ার ঘটনায় ফেসবুকের ওপর আস্থার সংকট আরও বাড়বে। একবার আস্থা নষ্ট হলে তা ফিরে পাওয়া কষ্ট হবে এবং প্রতিটি ভুল পদক্ষেপ বড় করে দেখা হবে।


রোববার ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপের প্রাইভেসি রেগুলেটররা ফেসবুকের ওপর ১৬৩ কোটি মার্কিন ডলার জরিমানা আরোপের কথা বিবেচনা করছে। গত শুক্রবার ফেসবুকের ওই হ্যাকিংয়ের বিষয়টি জানাজানি হয়।


ফেসবুক জানায়, তারা ফেসবুকে একটি নিরাপত্তা ত্রুটি খুঁজে পেয়েছে, যা কাজে লাগিয়ে ফেসবুক অ্যাকাউন্টের তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় পাঁচ কোটি অ্যাকাউন্টে প্রভাব পড়েছে। ফেসবুক নিরাপত্তা পদক্ষেপ হিসেবে মোট নয় কোটি অ্যাকাউন্ট লগ আউট করে দিয়েছে।


ফেসবুকের পক্ষ থেকে অবশ্য নিরাপত্তা ত্রুটি কাজে লাগিয়ে কারও অ্যাকাউন্ট হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে কি না, তা জানানো হয়নি। তবে ফেসবুক বলছে, এ ঘটনা জানার পর দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে তারা। এ ঘটনার পর ব্যবহারকারীরা কতটা আস্থা রাখতে পারবেন, তা চিন্তার বিষয়।


ওই ঘটনা জানাজানি হলে ফেসবুকের শেয়ারের দাম ৩ শতাংশ কমে যায়। কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা, রাশিয়ান অপপ্রচার, মিয়ানমারের সহিংসতায় উসকানির বিষয়গুলোতেও সমালোচনার মুখে পড়ে ফেসবুক।


প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলছেন, দুই বছর ধরে চলা নানা কেলেঙ্কারির পর ফেসবুক থেকে তথ্য হ্যাক হওয়ার বিষয়টি ব্যবহারকারীদের মধ্যে নতুন দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ‘ফেসবুক’ ও ‘তথ্য হ্যাক’ বিষয় দুটো প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে বাজে অনুভূতি তৈরির জন্য যথেষ্ট।


ফেসবুকের যে ক্ষতি হয়েছে, তা খুব সহজে উদ্ধার করা সম্ভব হবে না। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ মনে করছে, প্রতিটি পদক্ষেপে তাদের সমালোচনা ঠিক নয়, কিন্তু বাস্তবতা তাদের জন্য উল্টো।


মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, ‘এটা মারাত্মক নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয়’।


নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ঘটনায় মার্ক জাকারবার্গ ও ফেসবুকের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা শেরিল স্যান্ডবার্গের অ্যাকাউন্টও হ্যাক হয়েছে। যে–সংখ্যক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার কথা বলা হয়েছে, প্রকৃত সংখ্যা তার চেয়ে বেশি হতে পারে।


সব মিলিয়ে ব্যবহারকারীদের মনে ফেসবুক নিয়ে নানা উদ্বেগ জন্ম নিচ্ছে। তৈরি হচ্ছে আস্থার সংকট। ফেসবুক এ সংকট কাটাতে পারবে তো?


Monday, October 1, 2018

নারীর ক্যান্সারের প্রধান কারণ হতে যাচ্ছে স্থূলতা

২০৩৫ সালের মধ্যে ২৩ হাজার ব্রিটিশ নারী স্থূলতাজনিত ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে যাচ্ছেন, যা ধুমপানজনিত কারণে ক্যান্সার হওয়া নারীর তুলনায় দুই হাজারের মতো কম হবে, অনুমান ক্যান্সার রিসার্চ ইউকের।


এ প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০৪৩ সালের মধ্যে স্থূলতাই নারীদের ক্যান্সারের সবচেয়ে সাধারণ কারণ হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে দাতব্য এ সংস্থাটির, খবর সিএনএনের।

ব্রিটিশ জার্নাল অব ক্যান্সারের মতে, যুক্তরাজ্যের ক্যান্সার আক্রান্ত নারীদের ১২ দশমিক ৪০ শতাংশের সঙ্গেই ধুমপানের যোগ আছে, সে তুলনায় স্থূলতার সংশ্লিষ্টতা খুবই কম, মাত্র ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ।

পুরুষরা বেশি ধুমপান করায় তাদের ক্ষেত্রে এ দুয়ের মধ্যে পার্থক্যও অনেক বেশি।

যুক্তরাজ্যে ক্যান্সার আক্রান্ত পুরুষদের ১৭ দশমিক ৭ শতাংশের সঙ্গে ধুমপানের সংযোগ আছে, স্থুলতার সঙ্গে এ যোগ ৫ দশমিক ২ শতাংশ।

পুরুষদের বেলায়ও স্থুলতাজনিত ক্যান্সারের মাত্রা দিন দিন বাড়বে, তবে ধুমপানকে টপকে যেতে তুলনামূলক অনেক বেশি সময় লাগবে বলেও ধারণা ক্যান্সার রিসার্চ ইউকের।

১৯৭৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ক্যান্সারের ঘটনাগুলোর তথ্য বিশ্লেষণ করে এ প্রবণতার চিত্র পেয়েছে তারা। অনুসন্ধানে পাওয়া এ ফলকে এখন স্থূলতা কমাতে জাতীয়ভিত্তিক প্রচারণা ও আইন প্রণয়নের কাজে ব্যবহার করতে চায় দাতব্য সংস্থাটি, যেমনটা করে ধুমপান কমানোর ক্ষেত্রে সফলতা মিলেছে।

“স্থূলতা এখন জনস্বাস্থ্যের জন্য বিরাট ঝুঁকি, কিছুই যদি না করা হয় তাহলে এই পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে,” বলেছেন ক্যান্সার রিসার্চ ইউকের লিন্ডা বল্ড।

দশকের পর দশক ধরে ধুমপানবিরোধী প্রচারণার পাশাপাশি কর বসানো, তামাকজাত পণ্যের বাজারজাতকরণে বাধা এবং জনসমাগম হয় এমন স্থানে ধুমপান নিষিদ্ধের মতো রাজনৈতিক পদক্ষেপের কারণেই ধুমপানের ক্ষতি কমে এসেছে বলেও মন্তব্য এ প্রতিষেধক বিশেষজ্ঞের।

যুক্তরাজ্যের জনসংখ্যার এক চতুর্থাংশই স্থূলকায়; দেশটিতে স্থূলতার হার পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যেও সর্বোচ্চ বলে ভাষ্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা ওইসিডি-র।

নতুন এ গবেষণায় নারীদের ওপরই বেশি আলোকপাত করা হলেও ইমপেরিয়াল কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক শার্লট বেভানের মতে, নারী-পুরুষ উভয়ের ক্যান্সারের ক্ষেত্রেই স্থূলতা প্রধানতম সমস্যা হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে।

ইমিউন চেকপয়েন্ট থেরাপি’ নামে যে পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন তা ক্যান্সারের চিকিৎসায় ‘রীতিমত বিপ্লব ঘটিয়েছে’

সুইডেনের কারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট সোমবার চিকিৎসা বিজ্ঞানে চলতি বছরের বিজয়ী হিসেবে জেমস পি অ্যালিসন ও তাসুকু হোনজোর নাম ঘোষণা করে।


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে কেবল ২০১৮ সালেই বিশ্বে ৯৬ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ হবে ক্যান্সার। অর্থনীতির ওপরও এ রোগের প্রভাব ব্যাপক। কেবল ২০১০ সালেই এ রোগের চিকিৎসায় ব্যয় হয়েছে ১.১৬ ট্রিলিয়ন ডলার।


নোবেল কমিটি বলছে, জেমস পি অ্যালিসন ও তাসুকু হোনজোর মানবদেহের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে উদ্দিপ্ত করে ক্যানসার কোষকে প্রতিহত করার জন্য ‘ইমিউন চেকপয়েন্ট থেরাপি’ নামে যে পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন তা ক্যান্সারের চিকিৎসায় ‘রীতিমত বিপ্লব ঘটিয়েছে’।


নোবেল পুরস্কার পাওয়ার খবরে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক তাসুকু হোনজো বলেন, “আমি আমার গবেষণা চালিয়ে যেতে চাই যাতে এই থেরাপির মাধ্যমে আরও বেশি ক্যান্সার রোগীকে সারিয়ে তোলা যায়।”

জাপানের কিয়োটো ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক তাসুকু হোনজো জন্মগ্রহণ করেছেন ১৯৪২ সালে। আর ১৯৪৮ সালে টেক্সাসে জন্মগ্রহণ করা জেমস পি অ্যালিসন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস ইউনিভার্সিটির এমডি অ্যন্ডারসন ক্যানসার সেন্টারে অধ্যাপনা করছেন।

ইমিউন সিস্টেম হল একটি আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা, যা বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে মানবদেহের কোষগুলোকে সুরক্ষা দেয়। রোগের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে ইমিউন সিস্টেম যেন কখনও কোষের ক্ষতি করে না বসে, সেই ব্যবস্থাও প্রকৃতিগতভাবেই থাকে। কিছু ক্যান্সার এই সুযোগটা নেয় এবং ইমিউন সিস্টেমকে ফাঁকি দিয়ে বাড়তে থাকে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যে প্রোটিনের কারণে ইমিউন সিস্টেম নিজের কোষের ক্ষতি করা থেকে বিরত থাকে, সেই প্রোটিনটি গবেষণার মাধ্যমে শনাক্ত করেন অ্যালিসন ও হোনজো। তারা ওই প্রোটিনের উৎপাদন বন্ধ করার পদ্ধতি খুঁজে বের করেন, যাতে ইমিউন সিস্টেম টিউমারকে আক্রমণ করে নির্মূল করতে পারে।

১৯৯০ এর দশকে তাদের এই গবেষণার পথ ধরে ক্যান্সার চিকিৎসার নতুন ওষুধ তৈরি হয়, যা হাজারো রোগীর জন্য নতুন আশার আলো নিয়ে এসেছে।  

বিবিসি লিখেছে, বর্তমানে সবচেয়ে খারাপ ধরনের ত্বকের ক্যান্সার মেলানোমার চিকিৎসায় ‘ইমিউন চেকপয়েন্ট থেরাপি’ ব্যবহার করা হচ্ছে। সবাইকে হয়ত এই থেরাপি সারিয়ে তুলতে পারে না, তবে কিছু রোগীর ক্ষেত্রে খুবই ভালো কাজ করে।

এ ধরনের রোগীকে ভালো করে তোলার কোনো পথ আগে চিকিৎসকদের জানা ছিল না। ইদানিং ফুসফুসের ক্যান্সারের চিকিৎসাতেও ডাক্তাররা ‘ইমিউন চেকপয়েন্ট থেরাপি’ প্রয়োগ করতে শুরু করেছেন।  



পেটের মেদ কমাবে আমলকীর জুস

বেশিরভাগ মানুষের দেহের গড়নের চেয়ে এখন পেটে বেশি মেদ দেখা যায়। এই সমস্যার মূল কারণ আমাদের জীবনযাপনের ধরন। কর্মব্যস্ত জীবনে সময়ের অভাবে ব্যায়াম করতে না পারা কিংবা অসচেতনতার কারণে পেটে মেদ জমে যায়।


তবে এমন কিছু জুস আছে যেটি পেটে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ দূর করতে সহায়তা করবে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে আমলকীর জুস।

আমলকীর জুস

আমলকী মেটাবলিজম বাড়ায় এবং হজমে সহায়তা করে। ওজন দ্রুত কমানোর জন্য মেটাবোলিজম বাড়ানো জরুরি। এই জুসের সঙ্গে যোগ করতে পারেন কিছুটা মধু। এতে সারাদিন আপনার শরীর তরতাজা থাকবে। নিয়মিত এই জুসগুলো পান করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ডায়েট অনুসরণ করুন এবং ব্যায়াম করুন।

আসুন জেনে নেই কীভাবে তৈরি করবেন আমলকীর জুস।

উপকরণ

আমলকী চারটি, গোলমরিচের গুঁড়া সামান্য, মধু এক চা চামচ, বরফ কুচি পাঁচ চা চামচ এবং পানি দুই কাপ।

প্রস্তুত প্রণালি

প্রথমে আমলকী থেঁতলে নিয়ে এর সঙ্গে গোলমরিচের গুঁড়া মিশিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার এতে দুই কাপ পানি দিয়ে এক মিনিট ব্লেন্ড করুন। এর পর একটি গ্লাসে ঢেলে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে দিন। ইফতারের সময় ফ্রিজ থেকে বের করে এর ওপর বরফ কুচি ছড়িয়ে ঠাণ্ডাঠাণ্ডাপরিবেশন করুন ভিন্ন স্বাদের আমলকীর জুস।