Thursday, September 6, 2018

যেসব অভ্যাস অজান্তেই আমাদের মস্তিষ্কে খারাপ প্রভাব ফেলে

মস্তিষ্কের সুরক্ষায় আমরা প্রকৃত অর্থে তেমন কিছুই করি না। মস্তিষ্কের ব্যায়াম, মস্তিষ্কের জন্য সঠিক খাবার ইত্যাদির বিষয়ে আমরা অনেকটাই উদাসীন।

আর সেই কারণেই আমাদের মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলে তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা।

দূরত্ব মাপার একক ফুট, মিটার, কিলোমিটার। তরল পদার্থ মাপতে হলে তা লিটারে মাপা হয় আর মানুষের বুদ্ধি মাপতে হলে হিসেব নেওয়া হয় তার বুদ্ধ্যঙ্ক (আইকিউ)-এর ভিত্তিতে। হিসেব বলছে, বিশ্বের মোট জনগণের মাত্র ২ শতাংশ মানুষ আইকিউ ওয়ার্ল্ড টেস্টে ১৩০'র উপরে নম্বর পান।

আমাদের বুদ্ধ্যঙ্ক (আইকিউ)-এর মাত্রা হ্রাসের জন্য মূলত আমরা নিজেরাই দায়ী। আমরা এমন কিছু কাজ করি প্রায় প্রতিদিন যা আমাদের বুদ্ধিমত্তা কমিয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। আসুন জেনে নেওয়া যাক, এমন কিছু অভ্যাস যা অজান্তেই আমাদের মস্তিষ্কের উপর খারাপ প্রভাব ফেলে-

১। একসঙ্গে অনেক কাজ করা-

অনেকেই ভাবেন একসঙ্গে দুই বা তার অধিক কাজ করতে পারা বেশ ভাল একটা বিষয়। কিন্তু আসলে বিষয়টি আদপে উল্টোই।

স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা এক সময়ে একটিই কাজ করেন, তাদের চিন্তা করার ক্ষমতা যারা একসঙ্গে অনেক কাজ করতে যান তাদের তুলনায় বেশি।

২) পরোক্ষভাবে ধূমপান করা-

অনেকে ধূমপান না করেও ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে বুদ্ধ্যঙ্ক হারাতে থাকেন। সেন্ট্রাল মিশিগান ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণায় জানা গেছে, যে সকল শিশুরা পরোক্ষভাবে ধূমপান করছে তাদের সাধারণ শিশুর তুলনায় আইকিউ বেশ কম।

৩) অতিরিক্ত চিনি খাওয়া-

চিনি খাওয়া শুধুমাত্র পেটের মেদই বাড়ায় না সেই সঙ্গে মস্তিষ্কের উপর বেশ খারাপ প্রভাব ফেলে। গবেষণায় দেখা গেছে, টানা প্রায় ৬ সপ্তাহ চিনি জাতীয় খাবার খাওয়া হলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা হ্রাস পায় এবং কোনও কিছু শেখার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায় এবং স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। সুতরাং, চিনি বা মিষ্টি খাওয়ার বিষয়ে সাবধান।

৪) মানসিক চাপ-

মানসিক চাপ শুধুমাত্র আপনার মানসিক শান্তিই কেড়ে নিচ্ছে না, এটি আপনার মস্তিষ্কের উপরেও বেশ খারাপ প্রভাব ফেলছে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ আলজেইমার রোগের ঝুঁকি অনেকাংশেই বাড়িয়ে দেয় এবং মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। এতে করে লোপ পেতে থাকে স্বাভাবিক বুদ্ধিমত্তা।

৫) স্থূলতা-

স্থূলতার সঙ্গে শুধুমাত্র শারীরিক সমস্যাই জড়িত নয়। স্থূলতার বেশ খারাপ প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কের উপরে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মাঝ বয়সের পর যারা মুটিয়ে যান তাদের চিন্তা করার ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং স্মৃতিভ্রষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। সুতরাং, একটু সতর্ক থাকুন!


Sunday, September 2, 2018

ইয়াবার চেয়েও ভয়ঙ্কর ড্রাগস কী এই ‘খাত’



দেখতে অনেকটা গ্রিন টির মতো। মোড়কও অন্যসব কোম্পানির গ্রিন টির মতো।

গ্রিন টির লেভেলে সিঅ্যান্ডএফ-এর মাধ্যমে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টমস পার হচ্ছিল চালানগুলো। ইথিওপিয়া থেকে আসা এই মাদকগুলোতে গ্রিন টির লেভেল লাগিয়ে ইউরোপ, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ায় পাচার করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল আন্তর্জাতিক মাদক ব্যবসায়ীরা। তবে সবশেষ চালানে ধরা পড়েছেন মো. নাজিম নামের একজন। গত শুক্রবার বিকালে শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪৬৬ কেজি, পরে শান্তিনগর থেকে আরও ৪০০ কেজি খাত উদ্ধার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর (ডিএনসি)। তবে এরই মধ্যে পার্শ্ববর্তী ভারত, যুক্তরাষ্ট্রসহ একাধিক দেশে ‘খাত’ পাচার করেছে এমন তথ্য পেয়েছে ডিএনসি।

ডিএনসির অতিরিক্ত পরিচালক নজরুল ইসলাম শিকদার বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এই মাদকসহ মো. নাজিম (৪৭) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। ইতিহাদ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে নওয়াহিন এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ঠিকানায় মাদকের এই চালানটি আসে। নাজিমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শান্তিনগরের নওশীন এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালিয়ে আরও প্রায় ৪০০ কেজি খাত উদ্ধার করা হয়। জব্দ হওয়া মাদক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।

উইকিপিডিয়া বলছে, হর্ন অব আফ্রিকা ও আরব উপদ্বীপাঞ্চলে জন্মায় গুল্ম জাতীয় এই মাদক। এর বৈজ্ঞানিক নাম ‘কাথা ইডুলিস’, যদিও স্থানীয়ভাবে একে খাট, কাট, খাত, ঘাট, চাট, অ্যাবিসিনিয়ান টি, সোমালি টি, মিরা, অ্যারাবিয়ান টি ও কাফতা নামেও ডাকা হয়। খাত-এ ‘অ্যালকালোইড ক্যাথিনন’ নামক এক ধরনের উদ্দীপক উপাদান থাকে, যার কারণে উত্তেজনা বাড়ে, ক্ষুধা কমে যায় এবং শরীরের উষ্ণতায় তারতম্য ঘটে। আমেরিকান কোকো পাতা, এশিয়ান পানের মতোই স্থানীয়দের মধ্যে হাজার বছর ধরে এই নেশাদ্রব্যের শুকনো পাতা চিবিয়ে খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। খাত-এর আসক্তি খুব ভয়ঙ্কর। এর কারণে অবসাদ, দৃষ্টিভ্রম, অনিদ্রা, ক্ষুধামন্দাসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। বেশি রস চিবিয়ে নেশা করলে বিপদও মারাত্মক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘দাঁত এবং মাড়িতে ঘা হতে পারে। এ ছাড়াও, ইন্দ্রিয় শক্তি এবং যৌনক্ষমতা হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। খাত জীবনী শক্তিও কমিয়ে দেয়। ১৯৮০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) একে মাদকদ্রব্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। কানাডা, জার্মানি, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রে এটি অবৈধ না হলেও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণযোগ্য। ইসরায়েলে এই উদ্ভিদের পাতা ওষুধ তৈরিতে ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে। তবে মাদক নিয়ন্ত্রক সংস্থা— ডিইএ একে ক্ষতিকারক হিসেবে সতর্ক করেছে। অন্যদিকে আফ্রিকার দেশ জিবুতি, কেনিয়া, উগান্ডা, ইথিওপিয়া, সোমালিয়া এবং ইয়েমেনে এর উৎপাদন, ক্রয়-বিক্রয় এবং অবাধে সেবনের বৈধতা রয়েছে। সোমালিয়ার স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল সোমালিল্যান্ডের প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ ‘খাত’-এ আসক্ত। ডিএনসি বলছে, ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবায় বসবাসরত জিয়াদ মোহাম্মাদ ইউসুফ এনপিএসের চালানটি এ দেশে পাঠিয়েছেন। ক্রেজি ড্রাগস ইয়াবার পর খাত (এনপিএস-নিউ সাইকোট্রফিক সাবসটেনসেস) সেবনের কিছু সময়ের মধ্যেই মানবদেহে এক ধরনের উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ইয়াবার চেয়েও ভয়ঙ্কর ড্রাগস এই খাত। পানির সঙ্গে মিশিয়ে তরল করে এটি সেবন করা হয়। রাজধানীর অভিজাত এলাকার বখে যাওয়া যুবক-যুবতীদের কাছে খাত এরই মাঝে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ইয়াবার বিকল্প হিসেবেও অনেকে ‘খাত’ সেবন করছে। এটি ‘খ’ ক্যাটাগরির মাদক।

Friday, August 31, 2018

বাঁধাকপি ক্যান্সার নিরাময়ে দারুণ কাজ করে

ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছেন, সুস্থ থাকতে খেতে হবে ভরপেট সবজি! সবজি খেলেই সব রোগ-ভোগ থেকে দূরে থাকা যাবে। এমনকী, প্রতিদিন বিজ্ঞানীদের গবেষণাতেও আসছে নতুন তথ্য।

নতুন গবেষণা অনুযায়ী, বাঁধাকপি নাকি দারুণ উপকারী স্বাস্থ্যের জন্য। বাঁধাকপি নাকি ক্যান্সার নিরাময়ে দারুণ কাজ করে। আসুন জেনে নেই কী বলছেন চিকিৎসকরা।

বাঁধাকপি বা ব্রকলির মতো সবুজ সবজিগুলো হজমের জন্য ভালো। তবে ক্যান্সার ঠেকাতে পারে বাঁধাকপি, এ কথা কি শুনেছেন কখনও। সম্প্রতি এমনটাই প্রমাণিত হয়েছে, বাঁধাকপি মলাশয়ের ক্যান্সার ঠেকাতে সক্ষম।

ব্রিটেনের বিজ্ঞানীরা গবেষণার পর বলছেন, বাঁধাকপি যখন হজম হতে থাকে, সে সময় এর থেকে ক্যান্সার প্রতিরোধী রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরিত হয়। ইঁদুরের ওপর এক গবেষণায় সম্প্রতি এটি প্রমাণিত হয়েছে। এতে দেখা গেছে, বাঁধাকপি, ব্রকলি বা কেইল শাকের মতো সবুজ পাতার সবজি অন্ত্রের ওপর পাতলা আবরণ তৈরি করতে পারে।

গবেষকরা বলছেন, তবে এসব সবজি যেন বেশি রান্না না করা হয় যাতে গলে যায়। বাঁধাকপির মতো সবুজ সবজিতে যে শুধু ফাইবার বা আঁশ রয়েছে সেটি নয়, এটি মলাশয়ের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতেও সক্ষম।

বাঁধাকপির মতো সবুজ সবজি পাকস্থলিতে ইন্দ্রোল থ্রি কার্বিনোল নামে এক রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করতে পারে। অন্ত্রের শেষভাগে গিয়ে এটি স্টেমসেলের আচরণ বদলে দিতে পারে যা অন্ত্রের নানা ধরনের রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম।

Monday, August 27, 2018

মানসিক চাপ কমাতে খাবার

মানসিক চাপ আমাদেও দৈনন্দিন জীবনে  বেশ বড় একটি কষ্টদায়ক ব্যাপার। নানা কারণে আমরা দিনের বেশির ভাগ সময় মানসিক চাপের মধ্যে কাটাই। আর তার প্রভাব পড়ে আমাদের শরীরের উপরেও। হজমের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, অনিদ্রা, স্নায়ুর সমস্যা ইত্যাদি নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে এই মানসিক চাপ  থেকে। তাই আমাদের প্রথমে মানসিক চাপ দূর করা উচিৎ। অনেকে মনে করতে পারেন, মানসিক চাপ তো চাইলেই দূর করা যায় না! তাহলে কী ভাবে সম্ভব! উপায় আছে। এমন কিছু খাবার রয়েছে যা খেলে মানসিক চাপ দূর হয় নিমেষে। বিশ্বাস হচ্ছে না? একটু চেষ্টা করেই দেখুন!

ডার্ক চকলেট
ডার্ক চকলেট মানুষের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণের জন্য অনেক বেশি কার্যকরী একটি খাবার। চকলেট খেলে ‘এন্ডোরফিন’ নামক হরমোনের নিঃসরণ ঘটে যা আমাদের মানসিক চাপ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে সাহায্য করে। 
তবে খেয়াল রাখবেন, সাধারণ মিল্ক চকলেট নয়, ডার্ক চকলেট খাওয়াই স্বাস্থ্যের জন্য ভাল।

সবুজ সবজি
সবুজ সবজি যেমন, ব্রকলি, শসা ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড এবং ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এই উপাদানগুলি আমাদের মস্তিস্কে ভালোলাগার অনুভূতি সৃষ্টি করে। প্রতিদিন ১ কাপ সবুজ শাকসবজি খান। দেখবেন মানসিক চাপের সমস্যা কম হয়ে যাবে অনেকটাই।

কাঠবাদাম
কাঠবাদামে থাকা ভিটামিন বি এবং ভিটামিন ই আমাদের  দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে উন্নত করতে খুবই কার্যকর। যখন আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত থাকে তখন আমরা মানসিক চাপ বা বিষন্নতার মতো সমস্যায় কম ভুগী। তাই প্রতিদিন অন্তত ৫-৬টা কাঠবাদাম খাওয়ার অভ্যাস করুন। উপকার পাবেন।

মিষ্টি আলু
মিষ্টি আলুর সঙ্গেও আমাদের অনুভূতির সম্পর্ক রয়েছে। মিষ্টি আলু খেলে আমাদের মানসিক চাপ দূর হওয়া শুরু হয় দ্রুত। তাই মানসিক চাপে পড়লে মিষ্টি আলু সেদ্ধ করে খেতে পারেন।

চিনি
চিনি বেশি খাওয়া যদিও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, কিন্তু মানসিক চাপ দূর করতে চাইলে সামান্য চিনি খেতে পারেন। এতে আমাদের মস্তিষ্ক উদ্দীপ্ত পেশিগুলি শিথিল হওয়া শুরু করে এবং মানসিক চাপ কম হয়ে যায়। চিনির পরিবর্তে ১ চামচ মধুও খেতে পারেন। তবে ডায়বেটিসের রোগীদের জন্য এই পদ্ধতি উচিৎ নয় একেবারেই। 
সূত্র : জি নিউজ

Sunday, August 26, 2018

ধর্মগুরু যৌন নিপীড়নের কথা 

মার্কিন কার্ডিনাল থিওডোর ম্যাককারিকের যৌন নিপীড়নের কথা জানার পরও তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় এখন রোমান ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস এর পদত্যাগ দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে ভ্যাটিক্যানের সাবেক রাষ্ট্রদূত আর্চবিশপ কার্লো মারিয়া ভিগানো। তিনি পোপ ফ্রান্সিসের আয়ারল্যান্ড সফরের সময় রোমান ক্যাথলিক গণমাধ্যমগুলোতে ১১ পাতার একটি দীর্ঘ বিবৃতি দিয়েছেন। এ বিবৃতির শেষেই পোপ ফ্রান্সিসকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানান তিনি।


আর্চবিশপ ভিগানো ভ্যাটিক্যান এবং যুক্তরাষ্ট্রের চার্চগুলোর বর্তমান ও অতীতের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কার্ডিনাল ম্যাককারিকের অপকর্ম ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ করেন। রোববার তিনি অভিযোগ করেন, পাঁচ বছর আগে ২০১৩ সালের ২৩ জুনে মার্কিন কার্ডিনাল থিওডোর ম্যাককারিকের যৌন অসদাচরণ এবং নিপীড়নের মতো অপকর্মের কথা নিজেই পোপ ফ্রান্সিসকে জানিয়েছিলেন তিনি। ম্যাককারিক অনেক শিশুকে যৌন নির্যাতন করেছেন। এমনকি তিনি দুর্নীতিগ্রস্তও ছিলেন। ফ্রান্সিস তখন সব অভিযোগ সম্পর্কে জানার পরও কোনো সাড়া দেননি, তা চেপে গেছেন এবং ম্যাককারিকও চার্চের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে কাজ চালিয়ে গেছেন।


বিবৃতিতে ভিগানো লেখেন,‘সার্বজনীন চার্চের জন্য এ চরম নাটকীয় মুহূর্তে তাকে অবশ্যই জিরো টলারেন্সের ঘোষিত নীতি বজায় রেখে নিজের ভুল স্বীকার করতে হবে। ম্যাককারিকের অপকর্ম যে সমস্ত কার্ডিনাল এবং বিশপরা ধামাচাপা দিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে পোপ ফ্রান্সিসকেই প্রথম একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে এবং তাদের সবার সাথে তাকেও পদত্যাগ করতে হবে। ম্যাককারিকের অপরাধ সম্পর্কে পোপ প্রথম যে সময়ে জানতে পেরেছেন সেটি তাকে সততার সাথে স্বীকার করতে হবে। ’


পোপ ফ্রান্সিস আয়ারল্যান্ড সফরকালে যাজকদের শিশু যৌন নিপীড়নকে ‘অরুচিকর অপরাধ’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যাজকদের হাতে শিশু নিপীড়নের ঘটনা অরুচিকর অপরাধ। শিশুদের সুরক্ষা দিতে গির্জায় দায়িত্বরত সংশ্লিষ্ট সবাই ব্যর্থ হয়েছে। যেকোনো মূল্যে এ ধরনের ঘটনা নির্মূল করা হবে। আয়ারল্যান্ডে গির্জায় শিশুদের সুরক্ষা ও শিক্ষার দায়িত্বে থাকা যাজকদের হাতে শিশু নিপীড়নের ঘটনার সত্যতা অস্বীকার করিনি আমি। গির্জা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিশপ, ধর্মীয় জ্যেষ্ঠ নেতা, যাজকসহ অন্যদের এই অরুচিকর অপরাধ শনাক্ত করতে ব্যর্থতার কারণে আজ সঠিকভাবেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হয়েছে। ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের জন্য এটা বেদনাদায়ক ও লজ্জার। আমি নিজেও আমার সেই আবেগ সবার সাথে ভাগ করে নিচ্ছি। 


৫০ বছর আগে এক তরুণীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠার পর এবছর জু্লাইয়ে পদত্যাগ করেন যুক্তরাষ্ট্রের যাজক থিওডোর ম্যাকক্যারিক। সেমিনারির শিক্ষার্থীদের এবং ১৬ বছরের একটি বালককেও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। ৮৮ বছর বয়সী ওই যাজকের পদত্যাগপত্রও গ্রহণ করেছিলেন পোপ ফ্রান্সিস। তবে ম্যাকক্যারিকের দাবি, যে ব্যাপারে অভিযোগ করা হয়েছে, সে ব্যাপারে তার কিছু মনে নেই। যুক্তরাষ্ট্রে ম্যাকক্যারিকই সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ক্ষমতাধর যাজক ছিলেন যিনি এ ধরনের অভিযোগে পদত্যাগে বাধ্য হন।


যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার বিভিন্ন চার্চের পাদ্রীদের দ্বারা শিশুদের যৌন নির্যাতনের ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৫০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। রাজ্যের গ্র্যান্ড জুরির প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্যাতনের শিকার শিশুদের অধিকাংশই ছেলে। তাদের ধর্ষণ-সহ নানা ধরনের যৌন নিপীড়ন করা হয়েছে। নির্যাতনের শিকার হওয়া অনেক শিশুই পরবর্তীতে মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। কেউ কেউ মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে এবং এদের অনেকেই আত্মহত্যা করেছে।


অস্ট্রেলিয়ার চার্চগুলোর যাজকদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার শিশুকে যৌন নির্যাতন করার প্রমাণ মিলেছে এক সমীক্ষায়। শিশুদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তদন্তে ২০১২ সালে গঠিত রয়্যাল কমিশনের একটি প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত ছয় দশকে শিশুকামী যাজকদের হাতে দেশটিতে প্রায় ৪ হাজার ৪৪০ জন শিশু যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। ১৯৫০ সাল থেকে ২০১০ সালের মধ্যে ক্যাথলিক যাজকদের শিশুদের ওপর যৌন নিপীড়ন চালিয়েছে। আর ১৯৮০ সাল থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ৪ হাজার ৪৪০ জনেরও বেশি ব্যক্তি যৌন নিপীড়নের শিকার হওয়ার দাবি করেছে। এ সব ঘটনায় এক হাজার ৮৮০ জন যাজক জড়িত ছিলেন। আর যাজকদের মধ্যে ৯০ ভাগই পুরুষ এবং ১০ ভাগ নারী। অস্ট্রেলিয়ার মোট ক্যাথলিক যাজকদের সাত শতাংশই শিশু যৌন নিপীড়নের সাথে জড়িত। যৌন নিপীড়নের শিকার শিশুদের মধ্যে মেয়েদের গড় বয়স সাড়ে ১০ বছর এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে সাড়ে ১১ বছর। অস্ট্রেলিয়া জুড়ে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে এক হাজারেরও বেশি ক্যাথলিক প্রতিষ্ঠান শনাক্ত করা হয়েছে।


 


খালি পেটে ডাবের পানি পান করেই দেখুন!

সারা বছর ধরে যদি নিয়ম করে ডাবের পানি খাওয়া যায়, তাহলে একাধিক রোগ শরীরের ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। শুধু তাই নয়, ডাবের পানিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, মেঙ্গানিজ এবং জিঙ্ক নানাভাবে শরীরে গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : ডাবের পানিতে ক্যালসিয়াম, হাড়কে শক্ত-পোক্ত করে তোলার পাশাপাশি হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ডাবে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়ামও এক্ষেত্রে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।  

শরীরকে বিষমুক্ত করে : দেহের প্রতিটি কোণায় উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দিতে এই প্রকৃতিক উপাদানটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস ডাবের পানি পান করলে নানাবিধ রোগ যেমন শরীরের ধারে কাঁছে ঘেঁষতে পারে না, তেমনি সার্বিকভাবে শরীরিক ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।  

ব্লাড সুগারকে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : ডাবের পানিতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড এবং ডায়াটারি ফাইবার ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। এই কারণেই রোজের ডায়েটে ডাবকে অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

কিডনির ক্ষমতা বাড়ে : প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে ডাবের পানি কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে শরীরে উপস্থিত টক্সিন উপাদানদের ইউরিনের সঙ্গে বের করে দিয়ে নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমায়।

পানির ঘাটতি মেটে : ডাবের পানি শরীরে প্রবেশ করা মাত্র জলের ঘাটতি মিটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে এতে থাকা ইলেকট্রোলাইট কম্পোজিশান ডায়ারিয়া, বমি এবং অতিরিক্ত ঘামের পর শরীরের ভিতরে খনিজের ঘাটতি মেটাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

শরীর এবং ত্বকের বয়স কমে : ডাবের পানিতে রয়েছে সাইটোকিনিস নামে নামে একটি অ্যান্টি-এজিং উপাদান, যা শরীরের উপর বয়সের ছাপ পরতে দেয় না। সেই সঙ্গে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ওজন হ্রাসে পায় : ডাবের পানিতে বেশ কিছু উপকারি এনজাইম হজম ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি মেটাবলিজমের উন্নতিতেও সাহায্য় করে থাকে। ফলে খাবার খাওয়া মাত্র তা এত ভালো ভাবে হজম হয়ে যায় যে শরীরে হজম না হওয়া খাবার মেদ হিসেবে জমার সুযোগই পায় না। ফলে ওজন কমতে শুরু করে।  

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে :রাইবোফ্লবিন, নিয়াসিন, থিয়ামিন এবং পাইরিডোক্সিনের মতো উপকারি উপদানে ভরপুর ডাবের পানি প্রতিদিন পান করলে শরীরের শক্তি এতটা বৃদ্ধি পায় যে জীবাণুরা কোনওভাবেই ক্ষতি করার সুযোগ পায় না। সেই সঙ্গে ডাবের পানিতে অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ব্য়াকটেরিয়াল প্রপাটিজ নানাবিধ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : শরীরে বাজে কোলেস্টেরল বা এল ডি এল-এর পরিমাণ কমিয়ে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ডাবের পানির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। দেহে ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়িয়ে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমাতেও ডাবের পানি বিশেষ ভূমিকা নিয়ে থাকে।  

মাথা যন্ত্রণার প্রকোপ কমে : ডিহাইড্রেশনের কারণে মাথা যন্ত্রণা বা মাইগ্রেনর অ্যাটাক হওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে শীঘ্র এক গ্লাস ডাবের পানি পান করবেন। এমনটা করলে দেখবেন নিমেষে কষ্ট কমে যাবে। প্রাকৃতিক উপাদানটিতে ম্যাগনেসিয়াম, এই ধরনের শারীরিক সমস্যার চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

Monday, August 13, 2018

পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশ ফের দ্বিতীয়

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্টাটিসটিক্স রিভিউ ২০১৮’ শীর্ষক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়। সম্প্র্রতি প্রকাশিত এ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে গত বছর ২ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি হয়। পোশাক রফতানিতে বরাবরের মতো শীর্ষ অবস্থানে আছে চীন। দেশটি গত বছর ১৫ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের পোশাক রফতানি করেছে।


বিশ্বের মোট পোশাক রফতানির ৩৪ দশমিক ৯ শতাংশ চীনের দখলে। তবে গেল বছর পোশাক রফতানি ৭ শতাংশ কমে গেছে চীনের। দ্বিতীয় বাংলাদেশ। তৃতীয় শীর্ষ পোশাক রফতানিকারক দেশ ভিয়েতনাম গত বছর ২ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের পোশাক রফতানি করেছে। তাদের প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশ। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত গত বছর ১ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের পোশাক রফতানি করেছে।


বৈশ্বিক বাজারে তাদের হিস্যা ৫ দশমিক ৯ শতাংশ। দেশটির অবস্থান চতুর্থ। বৈশ্বিক বাজারের ৩ দশমিক ৩ শতাংশ অংশ নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে তুরস্ক। এর বাইরে ২৮ দেশের জোট ইইউ গত বছর রফতানি করেছে ১১ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের পোশাক।


ডব্লিউটিও বলছে, শীর্ষ দশ রফতানিকারক দেশ গত বছর ৪৫ হাজার কোটি ডলারের পোশাক রফতানি করেছে। বৈশ্বিক মোট পোশাক রফতানির চার ভাগের তিন ভাগই এই শীর্ষ দশ দেশের দখলে রয়েছে।


প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক বাজারে পোশাক রফতানি প্রবৃদ্ধিতে বাংলাদেশকে টপকে যাচ্ছে প্রতিযোগী দেশ ভিয়েতনাম। বাংলাদেশের চেয়ে দ্রুতগতিতে বাড়ছে দেশটির বাজার দখল। সাত বছর আগে যেখানে দেশটির রফতানি বাজারে দখল ছিল মাত্র দশমিক ৯ শতাংশ। প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় আজ সেখানে রফতানি আয়ে বাজার দখল হয়েছে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ।


অন্যদিকে ৭ বছর আগে বৈশ্বিক বাজারে পোশাক রফতানি আয়ে বাংলাদেশের দখল ছিল ২ দশমিক ৬ শতাংশ। আর আজ বাংলাদেশের রফতানি আয়ের বাজার বেড়ে মাত্র ৬ দশমিক ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।


উল্লিখিত সময়ে বাংলাদেশ পোশাক রফতানিতে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পারলেও ভিয়েতনামের মতো দ্রুতগতির প্রবৃদ্ধি দেখাতে পারেনি। ফলে পোশাক রফতানি আয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বাংলাদেশের জন্য চরম ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে পোশাক রফতানি আয়ে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভিয়েতনাম। পোশাক রফতানিতে এমন প্রবৃদ্ধি চলতে থাকলে খুব শিগগির দেশটি বাংলাদেশকে টপকে যাবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে ডব্লিউটিওর সর্বশেষ পরিসংখ্যান।


একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্রেতা দেশ ছিল যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পোশাকের বাজার পুরোটাই দখলে নিয়ে নিচ্ছে ভিয়েতনাম। কারণ দেশটিতে চীন, জাপান ও কোরিয়ার অনেক বিনিয়োগকারী আছেন।


দেশটির কারখানাগুলোয় উন্নত প্রযুক্তির মেশিন আছে, শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতাও বাংলাদেশের চেয়ে বেশি। চীন ও ভিয়েতনামের সীমান্ত এক। সহজেই কাঁচামাল সংগ্রহ করতে পারে তারা। বাংলাদেশের চেয়ে লিড টাইম অনেক কম।


জানতে চাইলে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, পোশাক শিল্পে আমাদের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল; তবে এ খাতের উন্নয়নে আমাদের আরও বেশি কাজ করতে হবে। সড়ক ও মহাসড়ক, বিমান পরিবহন ও চট্টগ্রামের সমুদ্রবন্দরের আরও উন্নয়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এসব উন্নয়নের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবসা-বাণিজ্য চালানো এবং ব্যবসা করার খরচ কমানো সম্ভব হবে। এভাবে আমরা এ খাতে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনাম, তুরস্ক, ভারতসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে পারব।